চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য কলকাতা ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ: বিরাট 1

বিশেষ প্রতিবেদন: দুর্দান্ত একটা ম্যাচের সাক্ষী রইল কটক। দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে হারিয়ে সিরিজ পকেটে পুরে নিল ভারত। তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে এই জয়ের পর ২-০’তে এগিয়ে বিরাট কোহলির দল। কটকের ম্যাচটা মনে থাকবে যুবি-ধোনির মারকাটারি ব্যাটিংয়ের জন্য। রবিবার, কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে সিরিজের শেষ ম্যাচে ফের মুখোমুখি হবে দুই দল। গুরুত্বের বিচারে এই ম্যাচটা এখন নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবারের এই ম্যাচের পর ধোনি ও যুবরাজের ফর্ম দেখে স্বস্তিতে থাকতে পারে ভারত। সামনে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। আর সেই টুর্নামেন্টকে এখন পাখির চোখ করেছে ভারতীয় দল। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৩৮১ রানের পাহাড় গড়ে তোলে ভারত। ইংল্যান্ড ভাল তাড়া করেও, শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা ১৫ রানে জিতে নেয় বিরাট ব্রিগেড। ইংল্যান্ডের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকান দলের অধিয়ান ইয়ন মর্গ্যান। তবে শেষ দিকে অশ্বিন ও জাদেজা যেভাবে বল হাতে চেপে ধরেন, তার সামনে মাথানত করতেই হয় ইংরেজদের।

বড় রান করলেও ম্যাচ জেতা যে সহজ কাজ ছিল না, বিরাট সেটা পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন:

‘আমরা ভাবছিলাম যদি শুরুটা ভাল করি তাহলে কোথায় গিয়ে শেষ করব। তারপর ২৫/৩ থেকে শেষ পর্যন্ত ৩৮১ রান। গোটা ব্যাপারটাই অসাধারণ,’ বলে দেন বিরাট। তিনি আরও যোগ করেন, ‘অমার মনে হয়েছিল ৩৪০ রানটা জেতার জন্য যথেষ্ট। ৩৮০ রানের ওপর করতে পারব সেটা ভাবিনি। তবে ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে। দ্বিতীয় ইনিংসে বল করাটা বেশ কঠিন কাজ ছিল। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমরা যদি রানা তাড়া করতাম তাহলে কী হত কে জানে।

‘পরের ম্যাচটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ কারণ সামনেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। শেষেরদিকে ছোট ছেলেটা এসে ঝড় বইয়ে দেওয়ার মধ্যেই আমাদের চিত্রটা ধরা পড়ছে। টেস্ট সিরিজ থেকেই দলের স্পিনাররা ফর্মে রয়েছে। এটা একটা ভাল খবর। যেভাবে ওরা উইকেট তুলছে সেটা চমকপ্রদ। তবে আমার মনে হয় আমরা নিজেদের ক্ষমতার ৭৫ শতাংশ দিয়ে খেলছি,’ বলে দেন অধিনায়ক কোহলি।

অন্যদিকে, ১৫০ রানের একটা দুর্দান্ত ইনিংস খেলার কারণে কটকে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন যুবরাজ সিং। ম্যাচের পর তিনি জানিয়ে দেন, এটাই তাঁর জীবনের সেরা ইনিংস।

যুবির কথায়, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটের ইনিংসগুলি আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। লেডি লাক ও মায়ের আর্শীবাদ আমার সঙ্গে ছিল। তবে এটাও ঠিক মাহি আর আমি গোটা পরিস্থিতিটা বেশ ভালই বুঝেছি। আমরা একঙ্গে অনেকদিন খেলেছি এবং দু’জন দু’জনকে বেশ ভালই বুঝি। আমাদের টার্গেট ছিল ৩৪০। তবে হাতে উইকেট থাকায় রানটা শেষ পর্যন্ত ৩৮০ টপকে যায়। এটাই আমার জীবনের সেরা ইনিংস।’

 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *