৬ বার আইপিএলের ফাইনাল হারা বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড়

আইপিএলের খেতাব জেতা যে কোনো খেলোয়াড়ের জন্য অনেক বড়ো একটা বিষয়, কারণ আইপিএল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-২০ ক্রিকেট লীগ। আইপিএলের খেতাব জেতা যে কোনো খেলোয়াড়ের জন্ত স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো, কিন্তু আজ আমরা আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আপনাদের সেই খেলোয়াড়ের ব্যাপারে জানাব যিনি মোট ৬ বার আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ হেরেছেন।

এমএস ধোনি ৬ বার হেরেছেন আইপিএলের ফাইনাল

৬ বার আইপিএলের ফাইনাল হারা বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় 1

যে খেলোয়াড়ের কথা আমরা বলছি তিনি আর কেউ নন বরং তিনি হলেন চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনিই আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ মোট ৬ বার হেরেছেন। জানিয়ে দিই যে প্রতিটি আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচই রবিবার দিন অনুষ্ঠিত হয় আর তিনি গত বছর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ ষষ্ঠবার হেরেছেন।

৫ বার চেন্নাই তো একবার পুণের হয়ে হেরেছেন ফাইনাল ম্যাচ

৬ বার আইপিএলের ফাইনাল হারা বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় 2

এমএস ধোনি আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ চেন্নাইয়ের হয়ে ৫ বার হেরেছেন। অন্যদিকে একবার পুণে সুপার জায়ান্টের হয়ে আইপিএলের ফাইনাল হেরেছেন। চেন্নাইয়ের হয়ে খেলে ধোনি সবার আগে ২০০৮ এ রাজস্থানের বিরুদ্ধে আইপিএল ফাইনাল হেরেছিলেন। এরপর ২০১২য় কলকাতা নাইট রাইডার্সের হাতে তিনি ফাইনাল হারেন। এরপর চেন্নিয়া সুপার কিংসের হয়ে খেলে ২০১৩য়, ২০১৫য় আর ২০১৯ এ ধোনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলে হারের মুখে পড়েন। ২০১৭য় এমএস ধোনি পুণে সুপার জায়ান্টের হয়ে খেলেছিলেন আর এই বছরও ধোনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে হারের মুখে পড়তে হয়েছিল।

৩ বার জিতেওছেন আইপিএলের ফাইনাল

৬ বার আইপিএলের ফাইনাল হারা বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় 3

তবে ধোনি স্রেফ ৬ বার আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচই হারেননি। তিনি ৬ বার হারার সঙ্গে ৩ বার আইপিএলের ফাইনাল জিতেওছেন। তিনি ২০১০ এ নিজের অধিনায়কত্বে চেন্নাই সুপার কিংসকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচ জিতিয়েছিলেন। অন্যদিকে ২০১১-তেও চেন্নাই সুপার কিংস ধোনির অধিনায়কত্বে আরসিবিকে হারিয়েছিলেন। আর ২০১৮য় ধোনির চেন্নাই সানরাইজার্স হায়দ্রবাদকে আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচে হারিয়েছিলেন।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *