অস্ট্রেলিয়ায় দুর্দান্ত সাফল্যের পিছনে ঋষভ পন্থকে প্রচুর সাহায্য করেছেন সুরেশ রায়না, করলেন স্বীকারোক্তি 1

ব্রিসবেন টেস্ট ম্যাচে ভারতকে ঐতিহাসিক জয় পেতে সাহায্য করা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ঋষভ পন্থকে নিয়ে নিয়মিত প্রশংসার বন্যা বয়ে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে নিজের ফর্ম এবং ফিটনেসের জন্য ধারাবাহিকভাবে সমালোচনার মুখোমুখি হওয়া পন্থ সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে তার পারফরম্যান্স দিয়ে সবার মুখ তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। গাব্বার মাঠে দ্বিতীয় ইনিংসে পন্থের খেলা অপরাজিত ৮৯ রানের মূল্যবান ইনিংসটি আগামী কয়েক বছরের জন্য সকলের স্মরণে থাকবে।

অস্ট্রেলিয়ায় দুর্দান্ত সাফল্যের পিছনে ঋষভ পন্থকে প্রচুর সাহায্য করেছেন সুরেশ রায়না, করলেন স্বীকারোক্তি 2

এদিকে, ভারতের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান সুরেশ রায়না অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে পন্থের সাথে তাঁর যে আলাপচারিতা হয়েছিল তা জানিয়ে দিয়েছেন। জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের সাথে আলাপকালে সুরেশ রায়না জানিয়েছিলেন যে, ঋষভ পন্থ তাকে বলেছিলেন যে তিনি বিশ্বের সেরা উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হতে চান। আর খারাপ ফর্ম থাকাকালীন মিডিয়ার কাছ থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন পন্থ।

অস্ট্রেলিয়ায় দুর্দান্ত সাফল্যের পিছনে ঋষভ পন্থকে প্রচুর সাহায্য করেছেন সুরেশ রায়না, করলেন স্বীকারোক্তি 3

এই নিয়ে সুরেশ রায়না বলেছেন, “ও আমায় এসে বলল, ‘ভাই, আমি বিশ্বের সেরা উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হতে চাই।’ এর সাথে আমার কিছু করার নেই। কিন্তু তিনি এমন এক তরুণ খেলোয়াড় যার প্রতিভা রয়েছে, যা আমার দৃষ্টিতে ভারতের দুর্দান্ত খেলোয়াড় হতে চলেছেন। জুন মাসে, যখন তিনি ফর্ম নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছিলেন এবং ব্যাট নিয়ে ভাল সময় কাটাচ্ছিলেন না তিনি, সে সময় তাঁকে নিয়ে প্রচুর সমালোচনা চলছিল। আর সেই সময়, তিনি যা চেয়েছিলেন তা হল মিডিয়া এবং এই সমস্ত বিষয় থেকে বিরতি। তিনি চেয়েছিলেন আমিই কেবল তাঁর কথা শুনি। তিনি আমার কাছ থেকে কিছু নেওয়ার দিকে তাকিয়ে ছিলেন না, সমাধানটি ভুলে যান।”

অস্ট্রেলিয়ায় দুর্দান্ত সাফল্যের পিছনে ঋষভ পন্থকে প্রচুর সাহায্য করেছেন সুরেশ রায়না, করলেন স্বীকারোক্তি 4

প্রাক্তন বাঁহাতি এই ভারতীয় ব্যাটসম্যান আরও বলেছেন, “আমরা যখন অনুশীলন করছিলাম, তখন তিনি সারা দিন আমার বাড়িতে থাকতেন এবং আমার বাচ্চাদের সাথে খেলতেন, আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলতেন। আমরা নেটফ্লিক্সে প্রচুর কমেডি শো দেখেছি, খুব ভাল খাবার খেয়েছি, যা খেতে তার মন চেয়েছিল, ততক্ষণাত সে এসে বলত। আমরা শহরের চারপাশে, তার হলুদ গাড়িতে বা কখনও কখনও আমার গাড়িতেও গিয়েছিলাম। আমরা দুজনেই পছন্দ করি এমন গান শুনতাম। তিনি খুব ইতিবাচক ছিলেন, এমনকি ড্রাইভের সময়ও তিনি প্রকাশ্যে কথা বলতেন এবং আমি তাকে কথা বলার পূর্ণ সুযোগ দিয়ে দিতাম।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *