মহম্মদ কাইফ এই ভারতীয় অধিনায়ককে বললেন এখনও পর্যন্ত নাম্বার ওয়ান অধিনায়ক

মহম্মদ কাইফ ভারতীয় দলের এমন এক খেলোয়াড় যিনি দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে নিজের পরিচিতি বানিয়েছিলেন। কাইফ বেশ কিছু চমকে দেওয়ার মত ক্যাচও ধরেছিলেন। অন্যদিকে ২০০২ এ লর্ডসের মাঠে নেটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে তার খেলা ৮৭ রানে ইনিংস আজও সকলের কাছে স্মরণীয়। ওই ম্যাচে কাইফ এবং যুবরাজের পার্টনারশিপ ভারতকে জয়ে এনে দিয়েছিল। এরপরই দাদা অর্থাৎ সৌরভ গাঙ্গুলী নিজের টিশার্ট খুলে লর্ডসে উড়িয়েছিলেন।

কাইফের কাছে সবচেয়ে দুর্দান্ত অধিনায়ক
মহম্মদ কাইফ এই ভারতীয় অধিনায়ককে বললেন এখনও পর্যন্ত নাম্বার ওয়ান অধিনায়ক 1
মহম্মদ কাইফ নিজের কেরিয়ারে শচীন তেন্ডুলকর, সৌরভ গাঙ্গুলী, বীরেন্দ্র সেহবাগ, আর রাহুল দ্রাবিড়ের অধিনায়কত্বে ক্রিকেট খেলেছেন। কিন্তু এর মধ্যে কাইফের কাছে সবচেয়ে দুর্দান্ত অধিনায়ক হলেন সৌরভ গাঙ্গুলী।

একটি ইন্টারভিউতে কাইফ জানিয়েছেন, “ আমার জন্য সৌরভ গাঙ্গুলী এক নম্বর। যখন তিনি অধিনায়ক হন তখন বেশ কিছু মুশকিল বছরও ছিল। যখন তিনি ভারতীয় দলের অধিনায়কত্ব সামলান তখন দলের হালত যথেষ্ট খারাপ ছিল। তার কোচ জন রাইটের সঙ্গে মিলে দলকে আবারও দলকে দাঁড় করানোর ছিল। তার সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি তরুণদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করেহচিলেন, যার মধ্যে আমিও শামিল ছিলাম”।
মহম্মদ কাইফ এই ভারতীয় অধিনায়ককে বললেন এখনও পর্যন্ত নাম্বার ওয়ান অধিনায়ক 2
কাইফ আগে জানান, “ সেই সময় শচীন তেন্ডুলকর, রাহুল দ্রাবিড়, অনিল কুম্বলে আর জাভাগল শ্রীনাথের মত সিনিয়র খেলোয়াড়ও মজুত ছিলেন, যাদের থেকে তিনি যথেষ্ট সাহায্য পেয়েছিলেন। তরুণ এবং সিনিয়র খেলোয়াড়দের নিয়ে এক ভারসাম্যমান দলও তৈরি হয়েছিল। তিনি তরুণদের সুযোগ দিয়েছিল। গাঙ্গুলী আধার তৈরি করেছিলেন, যারপর ধোনি তাকে আগে বাড়িয়েছেন”।

কাইফ জানিয়েছেন যে গাঙ্গুলী ব্যাটিংয়ের জন্য টিপসও দিতেন, যা দারুণ ভালো প্রমানিত হত। তিনি বলেন, “ উনি দুর্দান্ত ছিলেন। ওনার ব্যাটিং টিপস দারুন হত। যখন ব্যাটিংয়ের কথা আসত তখন তিনি জবরদস্ত ছিলেন। তার কাছে ভাল আইডিয়াজ থাকত। তিনি ম্যাচের আলাদা আলাদা পরিস্থিতির ব্যাপারে কথা বলতেন আর তিনি ব্যাটসম্যানদের মস্তিষ্কের সঙ্গে জুড়তে পারতেন। কিন্তু যখন কথা টিম ম্যানেজমেন্টের আসত তখন তাকে দুর্বল দেখাত। সেই সঙ্গে তিনি ভারতীয় সিস্টেম আর ভারতীয় কালচারকে বুঝতে পারেন নি। এছাড়াও খেলোয়াড়দের ব্যাকগ্রাউন্ডকেও বুঝতে সফল হন নি। এটা তার পক্ষে ছিল না। সবমিলিয়ে তার ব্যাটিং টিপসের আমি আনন্দ নিয়েছি”।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *