এবার করোনার থাবা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবারে ! 1
সৌরভ গাঙ্গুলি

গোটা ভারত জুড়ে ভয়াবহ ভাবে প্রভাব বিস্তার করা শুরু করেছে করোনা।এইবার এই মারণ ভাইরাস হানা দিলো প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক এবং বর্তমান ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবারেও।দাদা স্নেহাশীষ গাঙ্গুলীর স্ত্রী এবং তার বাবা মা এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে।শুধুমাত্র তাই নয় স্নেহাশীষের মোমিনপুরের বাড়ির ঘরোয়া কাজের তদারকি করেন কিছু সদস‍্য কবলে পড়েছেন এই ভাইরাসে।

এবার করোনার থাবা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবারে ! 2

বাংলার প্রাক্তন রন্জী ক্রিকেটার এবং সৌরভের দাদা স্নেহাশীষের’ও করোনা টেস্ট করা হয়, যদিও তার রিপোর্ট এসেছে নেগেটিভ।তাকে এইমুহুর্তে ‘হোম কোয়ারিন্টিন’এ থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পরিবারের আক্রান্ত সদস্যদের ভর্তি করা হয়েছে একটি বেসরকারী হাসপাতালে, এইমুহুর্তে সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাদের।প্রসঙ্গত, বাংলার ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সেক্রেটারী হলেন স্নেহাশীষ।

এবার করোনার থাবা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবারে ! 3

চার জন সদস‍্যই শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেছিলেন সাময়িক।যা কোভিড – ১৯ এর লক্ষণ।যদিও সংক্রমণ হওয়া কালীণ বেহালায় গাঙ্গুলীদের পৈতৃক বাড়িতে ছিলেন না তারা।এবং তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরপরই স্থানান্তরিত করা হয়েছে একটি বেসরকারী হাসপাতালে, এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্রের মারফত।

এবার করোনার থাবা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবারে ! 4

শনিবার পূনরায় টেস্ট করা হবে তাদের।আর তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আক্রান্তদের বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হবে , নাকি কোনও হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসা করা হবে।নার্সিং হোমের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

এবার করোনার থাবা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবারে ! 5
DURHAM, ENGLAND – July 4 : Indian captain Sourav Ganguly looks on in the rain delay during the match between England and India in the NatWest One Day Series at Chester Le Street, Durham, England on July 4, 2002. (Photo by Tom Shaw/Getty Images)

করোনার প্রকোপ বেড়ে ওঠার সাথে সাথেই দুঃস্থ মানুষদের পাশে দাড়িয়েছে গাঙ্গুলী পরিবার।বাইশ গজের ন‍্যায় এখানেও অধিনায়কের ভূমিকায় পাওয়া গেছে দাদাকে।কিনে দিয়েছেন ৫০ লক্ষ টাকার চাল।এরপর বেলুর মঠে বিতরণ করেছেন ২০০০ কেজি চাল।পরবর্তী সময়ে ইস্কন মন্দিরে প্রত‍্যহ ১০,০০০ মানুষকে খাওয়ানোর ব‍্যবস্থা করেন তিনি।গত মাসে আম্ফানের কবলে পড়ে বিধ্বস্ত হয়ে গেছিলো বাংলা।সেই সময় ফের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন দাদা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *