ফিটনেস টেস্টে পাস্, ভারতীয় দলে ফিরবেন এই খেলোয়াড়! 1

ফিটনেস টেস্টে পাস্, ভারতীয় দলে ফিরবেন এই খেলোয়াড়! 2ফিটনেস টেস্টে পাস্, ভারতীয় দলে ফিরবেন এই খেলোয়াড়! 3

মধ্য সেপ্টেম্বর হতে ই নিজেদের মাঠে ব্যস্ত সময় কাটাবে কোহলী বাহিনী। অস্ট্রেলিয়ার সাথে খেলবে পাঁচটি ওয়ানডে ও তিনটি টিটুয়েন্টি ম্যাচ। এরপরে ই আসবে ব্লাক ক্যাপস খ্যাত নিউজল্যান্ড। তাদের সাথেও আছে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টিটুয়েন্টি ম্যাচ। এই ব্যস্ত সূচিতে প্রতিটি খেলোয়ার ফিট থাকা অত্যন্ত জুরুরী। পেস বোলার মোহাম্মদ সামী এরই মধ্যে সেই পরিকল্পনা শুরু করেছেন। গত কয়েক বছর ইন্জুরির কারনে বাংলার এই পেসারের কাছে দু:স্বপ্নের মত ছিল। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে অসাধারন বোলিং নৈপূর্ণ্য প্রদর্শনের পর পর ই আক্রান্ত হোন হাটুর ইন্জুরিতে। এরপর হাটু অস্ত্রপাচার শেষে পনের মাস ছিলেন মাঠের বাহিরে। এরপরে গত বছর দলে ফিরে আসলেও ইংল্যান্ড সিরিজে আবার হাটুর সেই ইন্জুরির দেখা দিলে চার মাস ছিলেন দলের বাহিরে। এরপরে প্রায় দুই বছর পর ফিরেন ওয়ানডে দলে। খেলেছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও শ্রীলঙ্কার সাথে টেস্ট সিরিজেও। শ্রীলঙ্কার সাথে সীমিত ওভারের সিরিজে এই ডান হাতি পেসার কে বিশ্রাম দেওয়া হয়। এসময় তিনি জাতীয় ক্রিকেট একাডেমীতে ফিটনেস নিয়ে কাজ করেন।

এক টুইটের মাধ্যমে সামী জানান যে জাতীয় ক্রিকেট একাডেমী তে তার ফিটনেস টেস্ট ভাল ভাবে ই শেষ হয়েছে, তিনি সম্পূর্ণ ফিট। সম্প্রতি ভারতের প্রধান কোচ রবী শাস্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন ফিটনেস ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে দল নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সম্প্রতি ভারতের নির্বাচকমণ্ডলী এবং অধিনায়ক বিরাট কোহলীও ফিটনেসের প্রয়োজনীয়তার উপর যে গুরুত্ব দিচ্ছিলেন রবী শাস্ত্রীর কথায়ও তা প্রতিধ্বনিত হল। দলে সুযোগ পাওয়ার পূর্বশর্ত হবে ফিটনেস, নির্বাচকদের এমন সিদ্ধান্তও তিনি সমর্থন করেন। শাস্ত্রী বলেন ফিটনেসের সাথে আপোষ করা হবে না। তার মতে, ” মাঠে আমরা সেরা ফিল্ডিং দল হতে চাই আর এ জন্য ফিটনেস ঠিক থাকা জুরুরী।”

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের খেলোয়ারদের ফিটনেস নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে “ইউ ইউ” টেস্টে উৎরাতে না পারার কারনে যুবরাজ সিং এবং সুরেশ রায়না শ্রীলঙ্কা সিরিজে দলে সুযোগ না পাওয়ায়। শাস্ত্রী বলেন ফিটনেস ই সবচেয়ে বড় বিষয় হবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে, যদি কারো ফিটনেস ঠিক না থাকে তবে সে যত বড় তারকা ই হোক না কেন সুযোগ পাবে না। এ সময় শাস্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয় যুবরাজ ও সুরেশ রায়নার দলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভনা কতটুকু। তখন তিনি বলেন, ” যেহেতু দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু মানদন্ড আছে তাই কেউ দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য অবশ্য ই সেটা পূর্ণ করতে হবে। এটা খুব সাধারন বিষয়।” তিনি বলেন, ” দল নির্বাচনের সাথে জড়িত হওয়া আমার কাজ না, কারন আমি চাই সব খেলোয়ার আমাকে বিশ্বাস করুক। দল নির্বাচন করা নির্বাচকদের কাজ। তারা অনেক বেশি খেলা দেখেন এবং সারা বছর ধরে সারা দেশের খেলা দেখেন। তাই তাদের চোখে তারা ই সুযোগ পাবে।” তাই বলা যায় ২০১৯ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সঠিক পথে যাচ্ছেন ২০১৫ বিশ্বকাপে ভারতের অন্যতম সফল বোলার মোহাম্মদ সামী।

Nazmus Sajid

Sports Fanatic!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *