ঋষভ পন্থের সঙ্গে লাগাতার হওয়া নিজের প্রতিযোগীতা নিয়ে শেষমেশ মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান সাহা, বললেন...

ভারতীয় টেস্ট দলের উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহা নিজের চোটের কারণে যথেষ্ট দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় দলের বাইরে রয়েছেন। যদিও এখন তিনি ফিট হয়ে গিয়েছেন আর তার নাম বাংলার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির দলেও চলে এসেছে। এর মধ্যেই ঋষভ পন্থের সঙ্গে নিজের প্রতিযোগীতা নিয়ে ঋদ্ধিমান সাহা একটি বয়ান দিয়েছেন।

চোটের পর প্রত্যাবর্তনের খুশি
ঋষভ পন্থের সঙ্গে লাগাতার হওয়া নিজের প্রতিযোগীতা নিয়ে শেষমেশ মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান সাহা, বললেন... 1
ঋদ্ধিমান সাহা ক্রিকেটনেক্সটের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজের বয়ানে বলেছেন, “চোটের পর ক্রিকেটের মাঠে ফিরে আসায় নিশ্চিতভাবেই ভীষণ ভালো লাগছে। একজন খেলোয়াড়ের জন্য খেলায় ফিরে আসার ভাবনার চেয়ে ভালো কিছুই হয়না। আমার এমন অনুভুত হচ্ছে না যে আমি ভীষণ দীর্ঘ সময় ধরে দূরে রয়েছি, বরং আমার এমন মনে হচ্ছে যে আমি কিছু সপ্তাহের জন্যই ক্রিকেট মাঠ থেকে দূরে ছিলাম। এখন আমার ধ্যান সম্পূর্ণভাবে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে বাংলার সাহায্য করার দিকে রয়েছে”।

ঋষভ পন্থের সঙ্গে প্রতিযোগীতার রূপে বললেন এই কথা
ঋষভ পন্থের সঙ্গে লাগাতার হওয়া নিজের প্রতিযোগীতা নিয়ে শেষমেশ মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান সাহা, বললেন... 2

ঋদ্ধিমান সাহা ক্রিকেট নেক্সটের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আগে নিজের বয়ানে বলেন, “যখন আমি বাইরে ছিলাম তো ঋষভ পন্থ সুযোগ পেয়েছে, যেমনটা যে কোনো খেলোয়াড় দু হাতে নিজের সুযোগের ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করে, তেমনই কিছু ঋষভ পন্থও করেছে। আমি ওকে নিজের প্রতিন্দ্বন্ধী হিসেবে দেখি না, বাস্তবে যখন ও এনসিএতে এসেছিল, তো আমরা দুজনে এক সঙ্গে ভীষণই ভালো সময় কাটিয়েছিলাম। আমরা সম্ভবতই কখনো ওখানে নির্বাচন বা প্রদর্শনের ব্যাপারে কথা বলেছিলাম”।

নির্বাচনের ব্যাপারে আমার হাত নেই
ঋষভ পন্থের সঙ্গে লাগাতার হওয়া নিজের প্রতিযোগীতা নিয়ে শেষমেশ মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান সাহা, বললেন... 3
ঋদ্ধিমান সাহা আরো বলেন যে, “আমার কাজ নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী খেলা এটা সুনিশ্চিত করা যে আমি প্রত্যেক সময় নিজের দলের প্রয়োজনে যোগদান দিই। নির্বাচনের ব্যাপারে আমার হাত নেই, এই কারণে আমার প্রধান উদ্দেশ্য খালি ভালো প্রদর্শন করা”।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ মিস করায় নিরাশ
ঋষভ পন্থের সঙ্গে লাগাতার হওয়া নিজের প্রতিযোগীতা নিয়ে শেষমেশ মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান সাহা, বললেন... 4
ঋদ্ধিমান সাহা আগে কথা বলতে গিয়ে আরো বলেন যে, “আমি এত দীর্ঘ সময় পর ভারতীয় টেস্ট দলে নিজের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আশ্বস্ত রয়েছি, কিন্তু হ্যাঁ, আমি অবশ্যই নিরাশ হয়েছি, কারণ আমিও ভারতের ২-১ সিরিজ জয়ের অংশ হতে চেয়েছিলাম। এনসিএতে সকলেই আমার ফিট হওয়াতে যথেষ্ট সাহায্য করেছিলেন। কোচ আর ফিজিয়ো আমার সঙ্গে মিলে কাজ করেছেন আর এতে আমি যথেষ্ট সাহায্য পেয়েছি। আমি ওখানে নেটসে ব্যাটিং আর কিপিংয়ে যথেষ্ট সময় কাটিয়েছি আর আর এতদিন পরেও আমি ক্লান্ত রাস্টি হইনি কারণ আমি ওখানে গত ৮ মাস ধরে লাগাতার ব্যাটিংয়ের প্র্যাকটিস করছি”।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *