সুরেশ রায়নাকে সময় দিয়ে ভারতীয় ব্যাটিং কিংবদন্তি রায়নাকে নিয়ে কি বললেন দেখুন! 1

সুরেশ রায়নাকে সময় দিয়ে ভারতীয় ব্যাটিং কিংবদন্তি রায়নাকে নিয়ে কি বললেন দেখুন! 2

এক সময় ভারতের অপরিহার্য ব্যাটসম্যান সুরেশ রায়না এখন দলের বাহিরে। দলে ফিরার জন্য সংগ্রাহ করা এই ব্যাটসম্যানকে সময় দিলেন ভারতের ব্যাটিং কিংবদন্তি শচিন টেন্ডুলকার।১৮ বছর বয়সে ২০০৫ সালে ভারতের হয়ে অভিষেক হয় সুরেশ রায়নার। সাবেক এই টিমমেটের সাথে সময় কাটিয়ে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্ট্রাগ্রামে দেন ভারতের সাবেক ব্যাটিং স্তম্ভ শচিন টেন্ডুলকার। ছবিতে দেখা যায় লিটল মাস্টার নিজের হাতে ব্যাট নিয়ে রায়নাকে বুঝাচ্ছেন এবং রায়নাও খুব মনযোগ দিয়ে তার কথা শুনছেন। আশা করা যায় ব্যাটিং জিনিয়াসের কথা গুলো কাজে লাগিয়ে শীঘ্র ই দলে ফিরবে সুরেশ রায়না। এ সপ্তাহের শুরুতে রায়না দুলীপ ট্রফির জন্য ভারতের নীল দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। কানপুর ও লক্ষৌনোতে সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখ হতে ২৯ তারিখ পর্যন্ত চলবে দুলীপ ট্রফি। এই টুর্নামেন্ট রায়নার জন্য নিজেকে নির্বাচকদের সামনে নিজেকে প্রমাণ করার এক বড় সুযোগ।

১৮ বছর বয়সে ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকের মাধ্যমে রায়না’র অভিষেক ঘটেও টেস্ট ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে পাঁচ বছর পর ২০১০ সালে একই দলের বিপক্ষে। তবে, ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অভিমত যে তিনি ফাস্ট বল এবং শর্ট বলে তেমন ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করতে পারেন না। তার ক্যারিয়ার পর্যালোচনা করলেও তাই দেখা যায়। বামহাতি মাঝারি সারির ব্যাটসম্যান হিসেবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গীমায় ব্যাটিং করা ছাড়াও দলের প্রয়োজনে মাঝে-মধ্যে অফ-স্পিন বোলিং করতে পারেন এই তারকা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ছিলেন স্ট্যান্ড বাই তালিকায় থাকা রায়না নিজেকে বিরাট কোহালির দলের যোগ্য করে তুলতে চান ফিটনেসের চূড়ায় পৌঁছে। তাই তিনি ফিটনেস নিয়েও কাজ করছেন অনেকদিন ধরে। গত জুলাই মাসে আমস্টারডাম থেকে ফোনে বললেন, ‘‘এখন তো ভারতীয় দলে ডাক পাওয়ার একটা শর্ত হল ফিটনেস। তাই নিজেকে চরম ফিটনেসের জায়গায় আনার চেষ্টা করছি। এখানে এসে একটা ফিটনেস প্যাকেজ নিয়েছি। এটা শেষ করতে পারলে সেই উদ্দেশ্য সফল হবে।’’ আমস্টারডামে চাকরীস্থল তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার। সেই কারণেই গিয়েছিলেন তিনিও। তবে ছুটি কাটানোর সঙ্গে ক্রিকেট চর্চাও চালিছেন।

এছাড়া তখন য়োহান ক্রুয়েফ, রুদ খুলিট, মার্কো ফান বাস্তেনদের দেশে দেখা করেছিলেন সাবেক গুরু গ্যারি কার্স্টেনের সাথেও। সেটা নিয়ে তখন রায়না নিজেই জানিয়ে ছিলেন , ‘‘গ্যারির সঙ্গে সোনার সময় কাটিয়েছি ২০১১ ও তার আগে। ওঁর পরামর্শে ব্যাটিংয়ে অনেক উন্নতিও করেছি। তাই ওঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগটা আর নষ্ট করলাম না। কয়েকটা শট, কিছু সমস্যা নিয়ে আলোচনা করলাম। উনি আমাকে খুব ভাল বোঝেন। ওঁর সঙ্গে কথা বলে যেমন উপকার পেলাম, তেমনই আত্মবিশ্বাসও বাড়ল অনেক। আমার ফিটনেস প্রোগ্রামের কথা শুনেও খুব খুশি হলেন।” ফিটনেসের উন্নতির যথেষ্ট সময় ব্যয় করেছিলেন ডাচ ভুবনে। ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে শেষ টেস্ট, ওয়ান ডে সেই ২০১৫-তে। ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পাচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পর সর্বশেষ বড় টুর্নামেন্ট ছিল আইপিএলেী দশম আসর। সেখানে গুজরাট লায়নের হয়ে খেলেছিলেন সুরেশ রায়না।

Nazmus Sajid

Sports Fanatic!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *