বিশেষ প্রতিবেদন: স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে পাকিস্তানের তিন ক্রিকেটার খালিদ লতিফ, শারজিল খান ও মুহাম্মদ ইরফানকে সাময়িক সাসপেন্ড করল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। দুর্নীতির অভিযোগে তাদের উপর এই নিষেধাজ্ঞা নেমে এসেছে। এই তিনজন পাকিস্তান সুপার লিগে খেলছিলেন। নিষেধাজ্ঞার পর তাদের দুবাই থেকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগের দ্বিতীয় আসর। একটি সূত্রে খবর পাওয়া যায়, পিএসএলকে কলুষিত করতে একটি আন্তর্জাতিক চক্র অবৈধ টাকার লেনদেন করছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমন শাখা ও আকসু। তাদের তদন্তে এই চক্রের সঙ্গে শারজিল খান, মুহাম্মদ ইরফান ও খালিদ লতিফের জড়িত থাকার বিষয়টি আঁচ পাওয়া যায়। সে কারণে এই তিনজনকে সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা হয়।

আদালতে যাচ্ছেন সাক্ষী ধোনি!

পিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই তিন ক্রিকেটার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত কোন টুর্নামেন্ট এবং আইসিসি’র টুর্নামেন্টে নির্বাসিত থাকবেন। স্পট ফিক্সিং প্রসঙ্গে পিএসএলের চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি বলেন, ‘এই বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে তদন্ত পরিষ্কারভাবে হয়েছে। খেলাকে দুর্নীতির হাত থেক রক্ষা করতেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা কোন প্রকার দুর্নীতি সহ্য করব না এবং কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেও দ্বিধাবোধ করব না। আমাদের তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত চালিয়ে যাবে। পিসিবির দুর্নীতি দমন উইনিট (যাকে আইসিসির আকসু সহায়তা দিচ্ছে) এই তদন্তে সফলতার পরিচয় দিয়েছে। তারা বিষয়টি আরো গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে।’

সর্ব্বাধিক এক দিনের আন্তর্জাতিক বিজয়ী ৫ ভারতীয় অধিনায়ক

শারজিল খান সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন। গতবছর পাকিস্তান সুপার লিগে তিনি এলিমিনেটর ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। চলতি বছর শারজিল খান, মুহাম্মদ ইরফান ও খালিদ লতিফ গতবারের পিএসএলের চ্যাম্পিয়ন ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের হয়ে খেলছিলেন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে অবশ্য খালিদ লতিফ সেরা একাদশে ছিলেন না। শারজিল থাকলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। হাস্যকরভাবে এলবিডব্লিউ হন।

পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের দুর্নীতিতে জড়ানোটা এই প্রথম নয়। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের লর্ডসে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন মুহাম্মদ আমের, মুহাম্মদ আসিফ ও সালমান বাট। এছাড়া লেগ স্পিনার দানিশ কানেরিয়া ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য আজীবন নিষিদ্ধ হয়েছেন। পাঁচ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে মুহাম্মদ আমের ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন।

  • SHARE

    আরও পড়ুন

    বিরাটের কাছেই স্পিন খেলা শিখেছি: স্টিভ স্মিথ

    বিরাটের কাছেই স্পিন খেলা শিখেছি: স্টিভ স্মিথ
    বিশ্ব ক্রিকেটে এই মুহুর্তে তাদের মধ্যে চলছে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। তা সত্ত্বেও এই দুজনের মধ্যে একে অপরকে সম্মান...

    তৃতীয় টি২০তে এই তারকার খেলা নিয়ে সন্দেহ

    পিটিআইয়ের একটি রিপোর্টের মোতাবিক তৃতীয় এবং ফাইনাল ওয়ান ডেতে জসপ্রীত বুমরাহের অংশ নেওয়া এখনও সন্দেহজন অবস্থায় রয়েছে।...

    বিশ্বকাপে ভারতীয় স্পিন বিভাগে কারা খেলবেন মুখ খুলনে নির্বাচক প্রধান

    বিশ্বকাপে ভারতীয় স্পিন বিভাগে কারা খেলবেন মুখ খুলনে নির্বাচক প্রধান
    ২০১৯ বিশ্বকাপের বাকি আর মাত্র দেড় বছর। তার আগে গত ২ বছর ধরেই দুরন্ত ফর্মে রয়েছে ভারতীয়...

    অনুষ্কাকে যাবতীয় কৃতিত্ব দিয়ে অবসর নিয়ে মুখ খুললেন কোহলি

    অনুষ্কাকে যাবতীয় কৃতিত্ব দিয়ে অবসর নিয়ে মুখ খুললেন কোহলি
    তার ব্যাটিং প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ নেই কারও। সকলেই একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন যে তিনি ব্যাটিংয়ের জিনিয়াস। তামাম...

    প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত একদিনের সিরিজে যে যে রেকর্ড গড়লেন ভারত অধিনায়ক বিরাট

    তার শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিয়েছে ক্রিকেট বিশ্বের সকলেই। বিশ্বের সর্বকালের সেরা একদিনের ক্রিকেটার হিসেবে তাকে মেনেও নিয়েছেন সকলে।...