বোর্ডের লোগো দেওয়া টুপি পরেই জাতীয় পতাকা উত্তলন, বিপদে পড়তে পারেন কোহলি-শাস্ত্রী 1

বোর্ডের লোগো দেওয়া টুপি পরেই জাতীয় পতাকা উত্তলন, বিপদে পড়তে পারেন কোহলি-শাস্ত্রী 2

দেশভক্তি ভালো, কিন্তু অতিরিক্ত কোনও কিছুই ভালো না। ক্য়ান্ডি টেস্টে তিনদিনে শেষ হয়ে যাওয়ায় শ্রীলঙ্কার মাটিতে দেশের স্বাধীনতার দিবসটা বেশ প্রানভরে উদযাপন করতে গিয়ে ক্য়াপ্টেন আর কোচ মিলে যা করে বসলেন, তাতে আর কিছু বলার নেই। টুপি পরেই জাতীয় পতাকা উত্তলন করলেন। আর সেই ছবিও নির্দিদ্ধায় ট্য়ুইটারে পোস্ট করেছে বিসিসিআই। কোনও ভ্রুক্ষেপ না করেই পাশে দাড়িয়ে কোচ রবি শাস্ত্রীও। তার মাথাতেও বোর্ডে লোগো দেওয়া ক্য়াপ। নিয়ম অনুযায়ী এভাবে কোনও প্রতিষ্ঠানের লোগো কে সামনে রেখে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তলন করা যায়না। এটা জাতীয় পতাকার অবমাননার সমান। বিশেষ করে বিসিসিআই যেখানে একটি স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। ভারত সরকারের কোনও চিহ্নও তারা ব্য়বহার না করে, নিজস্ব লেগে ব্য়বহার করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড।

এদিন, বিরাট যখন জাতীয় পতাকা উত্তলন করছিলেন, সেই সময় তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। পনেরো সদস্য়ের গোটা দল তাঁদের সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীতে গলা মেলায়। বিরাটের হাতে পতাকা উত্তলন হওয়ার ভিডিও পোস্ট করে বিসিসিআই ট্য়ুইট করেছে, টিম ইন্ডিয়া স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ক্য়ান্ডিতে একত্রিত হয়েছে জাতীয় পতাকা উত্তলনের জন্য়।

জাতীয় পতাকা উত্তলনের পর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্য়ে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি ভিডিও ট্য়ুইট করেন ভারত অধিনায়ক। তাতে তিনি জানিয়েছেন, পনেরোই আগস্ট তাঁর কাছে সবসময়েই স্পেশাল। কারণ, এই দিন তাঁর (প্রয়াত) বাবার জন্মদিনও। ভিডিওতে বিরাটকে বলতে দেখা যাচ্ছে, আমি সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে চাই। প্রতিদিন আমি মন থেকে গর্ব অনুভব করি ভারতবাসী হওয়ার জন্য়। তবে এই বিশেষ দিনটা (১৫ই অগস্ট) আমার কাছে আরও একটি কারণে বিশেষ। তাঁর অফিসিয়াল ট্য়ুইটার পেজে ভিডিও ট্য়ুইটে কোহলি আরও বলেন, দুটি কারণে এই দিনটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আজ আমার বাবার জন্মদিন। সেই কারণে পনেরোই অগস্ট আমার আর আমার পরিবারের কাছে এই দিনটা বিশেষ।

নিজের ছোটোবেলায় কিভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করতেন বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে, সেই স্মৃতিও সাবর সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন বিরাট। ভিডিও ট্য়ুইটে তিনি বলছেন, দিল্লিতেই ছোটোবেলা কেটেছে আমার। এইদিনে ছোটোবেলার সবচেয়ে খুশির মুহূর্তের মধ্য়ে ছিল বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানো। যেদিকে তাকাতাম, সেদিকেই জাতীয় পতাকা চোখে পড়ত। দারুণ লাগত দেখে। সবাই এই দিনটা খুশি নিয়ে উপভোগ করুন। ভারতবাসী হিসেবে মন থেকে গর্বিত হন। ভারতবাসী হওয়ার গর্বটা সবসময় মনে বাঁচিয়ে রাখবেন। জয়হিন্দ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *