কেদার মালাইকোপ্তা ছোঁড়েন বাইশ গজে, যুবরাজের বক্তব্য়ে চমকে গিয়েছে ক্রিকেট মহল 1

কেদার মালাইকোপ্তা ছোঁড়েন বাইশ গজে, যুবরাজের বক্তব্য়ে চমকে গিয়েছে ক্রিকেট মহল 2

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতীয় দলে গত এক বছর ধরে কেদার যাদব ভরসা যোগ্য় নাম। ইদানিং কেদারের বোলিং নিয়েও বেশ শোরগোল উঠেছে। কেদার দলে থাকায় দলের স্পিন ডিপার্টমেন্টে অতিরিক্ত অপশন চলে এসেছে। যদিও, কেদার ঠিক কি ধরণের স্পিন বোলার তা নিয়ে সবারই মনে প্রশ্ন রয়েছে। তবে, যতক্ষণ দলকে উইকেট পাইয়ে দিচ্ছেন, তাতে যে ধরণের বোলারই হোন না কেন, তিনি উপকারী। কিন্তু, ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়া স্টার অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং যেভাবে কেদার যাদবকে নিয়ে মজা করেছেন সোশ্য়াল মিডিয়াতে, তাতে সত্য়ি অবাক হতে হয়।

দল থেকে বাদ পড়ার আগে ভারতীয় দলে বোলার যুবরাজ একসময় নিজেও বড় অবদান রেখেছিলেন। ইংল্য়ান্ডের বিতর্কিত ও প্রাক্তন ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেন একসময় যুবরাজের বোলিং নিয়ে মজা করে তাঁকে পাইচাকার বলে মন্তব্য় করে ছিলেন (পাই হলো পশ্চিমী দেশগুলিতে তৈরি একধরণের মিষ্টি খাবার)। মানে বোলিং দেখে মনে হয় না, খুব একটা ভয়ঙ্কর স্পিনার, তবুও প্রচুর উইকেট পাইয়ে দেয় দলকে। সেই যুবরাজ তাঁর উত্তরসূরিকে নিয়ে এভাবে মজায় মেতে ওঠায়, খানিকটা অবাক ক্রিকেটমহল। অবশ্য়ই, পুরো ব্য়াপারটাই যুবি মজার ছলে মন্তব্য় করেছেন।

ঘটনাটার সূত্রপাত সোশ্য়াল সাইটে ভারতীয় দলের স্টার ওপেনার রোহিত শর্মার একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে। নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলতে আসার আগে গত ঊনত্রিশে সেপ্টেম্বর ওই পোস্টটি করেন হিটম্য়ান। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বেঙ্গালুরু থেকে বিমান ধরার আগে বিমানবন্দরে দুই রিস্ট স্পিনার যুজবেন্দ্র চহল ও কুলদীপ যাদবের পাশাপাশি ভারতীয় দলের সহ-অধিনায়কের সঙ্গে কেদার যাদবও রয়েছেন। ছবির তলায় ক্য়াপশনে রোহিত মজা করে লিখেছেন, নাগপুর আমরা আসছি। দুই রিস্ট স্পিনার যুজবেন্দ্র চহল, কুলদীপ যাদব এবং কেদার যাদব আমার সঙ্গী। আমি ঠিক বলতে পারব না, কেদার নিজের জানে কি না যে ও ঠিক কি ধরনের বল করে।

যুবরাজ সিং ওই পোস্টটি দেখার পর তার উত্তরে লেখেন, হাহাহাহাহা, সত্য়ি কথা! ও মালাই কোপ্তাকে পাই-এর মতো ছোঁড়ে। যুবরাজের ওই রসিকতা ইনস্টাগ্রাম থেকে ফেসবুক ও ট্য়ুইটারের ছড়িয়ে পড়েছে নানান কমেন্টের মাধ্য়মে।

উল্লেখ্য় পাঁচ ম্য়াচের একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজে ভারত ৩-১ ব্য়বধানে এগিয়ে রয়েছে। প্রথম তিনটি একদিনের ম্য়াচ জিতে ভারত অনেক আগেই সিরিজ জিতে নিয়েছে। বেঙ্গালুরে অস্ট্রেলিয়া জেতায় সিরিজে অজিদের আর ক্লিন সুইপ করতে পারবে না ভারত। নাগপুরে সিরিজের শেষ তথা পঞ্চম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্য়াচ রবিবার, পয়লা অক্টোবর। সিরিজের অন্য়ান্য় ম্য়াচগুলির মতো এটিও দিনরাতের ম্য়াচ। এই সিরিজের পর একদিনের ক্রিকেটে আইসিসি ব়্য়াঙ্কিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুনম্বরে ঠেলে দিয়ে শীর্ষ স্থানটি ভারত দখল করতে চলেছে। এরপর, সাত অক্টোবর থেকে তিন ম্য়াচের টি-২০ আন্তর্জাতিক সিরিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *