বিশ্বকাপ চলাকালীন সময় ঝুলন গোস্বামী নিজে কোচকে বলেছিলন তাকে দল থেকে বাদ দিতে! 1

বিশ্বকাপ চলাকালীন সময় ঝুলন গোস্বামী নিজে কোচকে বলেছিলন তাকে দল থেকে বাদ দিতে! 2

সম্প্রতি শেষ হওয়া নারী বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ভারত কে তোলার অন্যতম কারিগর হলেন ঝুলন গোস্বামী। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ভারতীয় নারী দলের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক ঝুলন গোস্বামী বিশ্বকাপে মোট বারটি উইকেট লাভ করেন, যার মধ্যে সেমি ফাইনাল ও ফাইনালে ই নেন পাঁচটি উইকেট। এর মধ্যে সেমি ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নেন ৩৫ রানে ২ উইকেট আর ফাইনালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পান ২৩ রানে ৩ উইকেট। ঝুলন গোস্বামীর এ সফলতার কথা সবাই জানলেও তিনি নিজেই যে বিশ্বকাপেরর মাঝ পথে তাকে দল থেকে বাদ দিতে বলেছিলেন তা হয়ত অনেকে ই জানেন না। ভারতীয় নারী দলের কোচ তুষার আরোঠে জানান ওয়েস্ট উইন্ডিজ কে ৭ উইকেটে হারানো ম্যাচ শেষে ঝুলন তাকে জানান যে চাইলে তাকে বাদ দিতে পারেন, কারন সে তার বোলিং যে ধারা, সে ধারা ও ছন্দ খুজে পাচ্ছেন না। ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট উইন্ডিজের সাথে প্রথম দুই ম্যাচে ঝুলন যথাক্রমে ৩৭ ও ৩৫ রান দিলেও তার ছন্দ খুজে পান নি, উইকেট পাওয়ার সাফল্যও ছিল না।

বিশ্বকাপ চলাকালীন সময় ঝুলন গোস্বামী নিজে কোচকে বলেছিলন তাকে দল থেকে বাদ দিতে! 3 বিশ্বকাপ চলাকালীন সময় ঝুলন গোস্বামী নিজে কোচকে বলেছিলন তাকে দল থেকে বাদ দিতে! 4 বিশ্বকাপ চলাকালীন সময় ঝুলন গোস্বামী নিজে কোচকে বলেছিলন তাকে দল থেকে বাদ দিতে! 5

কোচ তুষার আরোঠে বলেন “আমি ঝুলনের কথা শুনে প্রথম খারাপ লাগলেও পরে এ ভেবে খুব খুশি হয়েছি যে সে নিজের কথা না ভেবে দলের কথা ভেবেছে।আমি তাকে বলেন সময় নেও সব ঠিক হয়ে যাবে।সব কৃতিত্ব তার নিজের। সে দলের একজন সিনিয়র খেলোয়ার এবং সিনিয়র খেলোয়ার হিসেবে সে নিজেই ভাল করে বুঝছিল সে কি বলছে।কিন্তু আমার পক্ষে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব কঠিন ছিল। “

এ সময় ভারতীয় মিতালী রাজও ঝুলনের পাশে ছিলেন এবং তাকে বাদ না দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে জানান তুষার আরাঠে, মিতালী বলেন ” ঝুলন কি করে নিজের ব্যাপারে এমন ভাবতে পারল।সে আমাদের সিনিয়র খেলোয়ার, আমি তাকে বাদ দিচ্ছি না”। সে ভারতের তার অভিজ্ঞা দরকার ছিল এবং আমি ও মিতালী মিলে সিদ্ধান্ত নেই আমরা তাকে বাদ দিব না এবং আমরা তাকে মানসিকভাবে সমর্থন দিব যাতে সে স্বরূপে ফিরতে পারে। আমাদের তৃতীয় ম্যাচ ছিল পাকিস্তানের সাথে, আমরা ঝুলন কে বললাম সে যেন স্বাভাবিক থাকে এবং নিজের খেলাটা ই খেলেন। পাকিস্তানে বিরুদ্ধে সে পাঁচ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ১টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। এরপর বাকি টুর্নামেন্টে সে কি করেছে তা তো সবার ই জানা!

তুষার আরোঠে আরো বলেন ” আমি জানি তাকে বুঝানো খুব কঠিন ছিল, কিন্তু তাকে বলি যে পরবর্তী চার পাঁচ দিন যেন একটু কঠোর পরিশ্রম করে। প্রথম ম্যাচগুলোতে তার সমস্যা গুলোর কারনে সে রান দিয়ে ফেলছিল কিন্তু সফলতা পাচ্ছিলেন আমি সে বিষয় গুলো নিয়ে কাজ করি এবং সেও কঠোর পরিশ্রম করেন ফলে দ্রুতই সফলতা দেখা দেয়। লর্ডে ফাইনাল ম্যাচের আগে সে প্রথমে নেটে ২৫ মিনিট বল করেন, এরপর সে যে পিচে খেলা হবে সে পিচে এক স্ট্যাম্পে বল করতে চায়। সে এক ঘন্টা মূল পিচের উভয় দিক থেকে বল করেন “!

Nazmus Sajid

Sports Fanatic!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *