আইসিসি দিয়েছিল ধোনির বলিদান ব্যাজ সরানোর নির্দেশ, তো ভারতীয়রা বললেন আগে অ্যাম্পায়ারিং শুধরোও

ইংল্যান্ড আর ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের আতিথেয়তায় খেলা হওয়া আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ এ নিজেদের প্রথম ম্যাচ ভারতীয় দল দুর্দান্তভাবে জেতে। এই ম্যাচে ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকাকে সহজেই হারিয়ে দেয়। কিন্তু ভারতীয় দলের জয়ের চেয়েও বেশি একটি বিষয় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ধোনি দ্বারা ব্যবহৃত বলিদান ব্যাজওয়ালা দস্তানা হল আলোচনার কেন্দ্র

এই বিষয়টি আর কিছু নয় বরং ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি দ্বারা নিজের উইকেটকিপিং দস্তানায় সেনার শৌর্য্যের প্রতীক বলিদান ব্যাজের চিহ্ন নিয়ে উঠেছে।

আইসিসি দিয়েছিল ধোনির বলিদান ব্যাজ সরানোর নির্দেশ, তো ভারতীয়রা বললেন আগে অ্যাম্পায়ারিং শুধরোও 1

আসলে ভারত আর দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে খেলা হওয়া এই বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন ভারতীয় ক্রিকেট দলের উইকেটকিপার মহেন্দ্র সিং ধোনি নিজের উইকেটকিপিং দস্তানায় বলিদান ব্যাজ চিহ্ন ব্যবহার করেন।

আইসিসির ধোনিকে গ্লাভসে বলিদান ব্যাজ সরানোর নির্দেশ

তারপর আর কি যখন মহেন্দ্র সিং ধোনির দ্বারা পরা এই চিহ্নের দস্তানা মিডিয়ায় আসে তারপর আইসিসি বড় অ্যাকশন নিয়ে বিসিসিআইকে অনুরোধ করে যে তারা ধোনির উইকেটকিপিং দস্তানা থেকে এই বলিদান ব্যাজ সরিয়ে দিক।

আইসিসি দিয়েছিল ধোনির বলিদান ব্যাজ সরানোর নির্দেশ, তো ভারতীয়রা বললেন আগে অ্যাম্পায়ারিং শুধরোও 2

বিসিসি এখনো পর্যন্ত আইসিসিকে এটা নিয়ে কোনো জবাব দেয়নি কিন্তু আইসিসির এই ব্যবহার নিয়ে ভারতীয় সমর্থকরা ভীষণই ক্ষুব্ধ আর তারা আইসিসিকে একহাত নিয়েছে আর ট্রোল করা শুরু করেছে।

ভারতীয় সমর্থক আইসিসির ব্যবহারে ক্ষুব্ধ, করছে তিরস্কার

ভারতীয় সমর্থকরা আইসিসির দ্বারা মহেন্দ্র সিং ধোনির গ্লাভস থেকে এই ব্যাজ সরানোর কথা মেনে নিতে পারেননি আর তারা আইসিসিকে উপদেশ দিচ্ছেন যে খারাপ অ্যাম্পায়ারিংয়ের জায়গায় ধ্যান নেওয়ার জায়গায় আইসিসি এদিক ওদিক ধ্যান না দিক।

আইসিসি দিয়েছিল ধোনির বলিদান ব্যাজ সরানোর নির্দেশ, তো ভারতীয়রা বললেন আগে অ্যাম্পায়ারিং শুধরোও 3

ভারতীয় সমর্থকরা এখন টুইটারে #dhonikeepTheglove হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে আইসিসিকে ঘিরে ধরছে। যা এখন জমিয়ে ট্রেন্ড হচ্ছে।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *