নাম না করে আবার ধোনিকে খোঁচা দিলেন হর্ষ, পুনে হারাতে পারে জনপ্রিয়তা 1
হর্ষ গোয়েঙ্কা

নাম না করে আরও একবার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে খোঁচা দিলেন ভারতের অন্যতম শিল্পপতি তথা রাইসিং পুনে সুপারজায়ন্টসের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কার ভাই হর্ষ গোয়েঙ্কা। এবছরের আইপিএলে পুনের প্রথম ম্যাচে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস জয়ের পরও টুইটে ধোনিকে খোঁচা দেন হর্ষ।

ধোনিকে অসম্মান করায় গোয়েঙ্কার তুলোধনা করল সমর্থকেরা

মাহির উপর হর্ষের সম্পর্কের এই অবনতির আসল কারণ কেউই জানেন না। এই বছরের শুরুতে হঠাৎই রাইসিং পুনের অধিনায়কের পদ থেকে মাহিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ধোনি এই দলে শুধুমাত্র একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হয়ে খেললেও, খোঁচা মারতে ছাড়েননি হর্ষ। প্রথম ম্যাচে শেষ ওভারে দুটি পর পর ছয় মেরে ম্যাচ জেতান পুনের বর্তমান অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। ধোনিও সেই সময় তাঁর সঙ্গেই ক্রিজে ছিলেন। সবাই ভেবেছিলেন ধোনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ম্যাচটি শেষ করবেন। কিন্তু মাহির সেই কাজ করল স্মিথ। এরপর টুইটে হর্ষ লিখেছিলেন, “স্মিথ প্রমান করেছে এই দলের রাজা কে। ধোনিকে ছাপিয়ে অধিনায়কের মত ইনিংস খেলেছে স্মিথ। অধিনায়ক হিসেবে স্মিথকে দায়িত্ব দিয়ে ঠিক সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে।” হর্ষের এই টুইটে ব্যপক ক্ষেপে যান ভারতের প্রাক্তণ এই অধিনায়কের সমর্থকরা। পরে অবশ্য তিনি সেই টুইট মুছেও দেন।

তবে আবারও একই ঘটনা ঘটাল এই শিল্পপতি। শনিবার পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে পুনে তাঁদের দ্বিতীয় ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। এই ম্যাচেও ধোনির ব্যাট থেকে তেমন রান আসেনি। প্রতিটি ক্রিকেটারের জীবনেই এমন একটা সময় আসে যখন তাঁর ব্যাটে খুব একটা রান থাকেনা। ধোনিও তাঁর ব্যতিক্রম নয়। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর হর্ষ টুইট করেন, “এখনও (আইপিএল ২০১৭) পর্যন্ত ব্যাটিং পরিসংখ্যান অনুযায়ী শ্রেষ্ঠ স্ট্রাইক রয়েছে, মনোজ তিওয়ারি, রাহানে, ক্রিশ্চিয়ানের।”

নাম না করে আবার ধোনিকে খোঁচা দিলেন হর্ষ, পুনে হারাতে পারে জনপ্রিয়তা 2

হর্ষের এই টুইটের উদ্দেশ্য কী, তা বুঝতে মাহির সমর্থকদের বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয়নি। এর পরই টুইটে হর্ষের বিরুদ্ধে একের পর এক সমালোচনা ধেয়ে আসে। কেউ কেউ বলছেন, এটা ধোনির দুর্ভাগ্য যে, ও পুনের মত দলের সদস্য। আবার কেউ বলছেন, ধন্যবাদ স্যার আইপিএলে এটাই পুনের শেষ সফর। ব্যাটে রান না থাকলেও ধোনির জনপ্রিয়তায় এতটুকু মরচে পড়েনি। সমর্থকদের এখনও বিশ্বাস ধোনি ঠিক সময় নিজের ফর্মে ফিরবে, আর এই বাকযুদ্ধই তার প্রমান।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *