ভিডিও : হার্দিক করলেন এক ওভারে ২৬ রান, সে দেখে হাসি চাপতে পারলেন না কোহলি 1

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্টে দ্বিতীয় দিনে সবাইকে চমকে দিলেন ভারতীয় দলের তরুণ অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। এক ওভারে এলো ছাব্বিশ রান। হ্য়াঁ, ভাবতে অবাক লাগলেও, সত্য়ি। টেস্টে ক্রিকেটে কুড়িকুড়ি ক্রিকেটের ঝলক দেখিয়েছেন বিরাটের টিমের এই ইয়ং ইন্ডিয়ান। শ্রীলঙ্কার বাঁ-হাতি স্পিনার মালিন্দা পুষ্পকুমারাকে একেবারে দুরমুশ করে ছাড়লেন পাল্লেকেলের মাঠেতে।

ক্য়ান্ডি টেস্টের দ্বিতীয় দিনের বয়স তখন সবে ১১৫ ওভার থেকে ১১৬ ওভারে পা দিয়েছে। পুষ্পকুমারার প্রথম ডেলিভারিটা জায়গা মতো পেয়েই সপাটে ব্য়াট চালালেন হার্দিক। বল কোনও দিকে না গিয়ে একেবারে আছড়ে পড়ল বাউন্ডারি লাইনে। তার রেশটা কাটতে না কাটতেই ওভারের দ্বিতীয় ডেতিভারটারও একই হাল করে ছাড়লেন হার্দিক। পুষ্পকুমারার হাত থেকে বলটা বেরনোর আগেই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে বলের লাইনে চলে আসেন, তারপর লং অফ-লং অনের মাঝ দিয়ে সোজা চার বোলারের পাশ দিয়ে। দেখে নিন ভিডিওতে পান্ডিয়ার সেই বিধ্বংসী ব্য়াটিং।

১১৬ ওভারের পরের তিনটি আরও দুর্ভাগ্য় অপেক্ষা করছিল শ্রীলঙ্কান চাইনাম্য়ান স্পিনারের জন্য়। পরপর তিন বলে তিনটি ছয় – ছয়ের হ্য়াটট্রিক। প্রথমটা একেবারে গিয়ে আছড় পড়ল সাইট স্ক্রিনে। আর তার পরের ছয়টাও গিয়ে ফের আছড়ে পড়ল সাইট স্ক্রিনে। পান্ডিয়া তখন বিধ্বংসী রূপ নিয়েছেন। ওভারের পঞ্চম বলটাতে আরও লম্বা ছয়। হার্দিকের পিটুনির হাত থেকে বাঁচতে ওভার দ্য় উইরেট ছেড়ে রাউন্ড দ্য় উইকেট বল করতে আসেন পুষ্পকুমারা। কিন্তু, তাতেও রক্ষা হল না। হার্দিক বলের লাইনে এসে সোজা চালিয়ে দিলেন ব্য়াট। ওভারের শেষ বলটা পান্ডিয়ার প্য়াডে লাগায় কোনওরকমে রক্ষা এর আগে, অনেক বাঘাবাঘা ব্য়াটসম্য়ান ভারতের হয়ে খেললেও, এর আগে কোনও ভারতীয় ব্য়াটসম্য়ান টেস্টের আসরে এক ওভারে ছাব্বিশ রান করতে পারেননি। এমনকি, ভারতের প্রাক্তন বিস্ফোরক ওপানার বীরেন্দ্র সেহওয়াগওভার বাউন্ডারিরও পারেননি। সেই দিক থেকে পান্ডিয়ার এই তিনটি ছয় একটি রেকর্ড গড়ল। সঙ্গে রয়েছে আরও একটি নজির। শ্রীলঙ্কার মাটিতে কোনও দল একটি টেস্ট সিরিজে সবচেয়ে বেশি ছয় মারার রেকর্ড গড়ল। ভিডিওতে দেখে নিন ক্য়ান্ডি টেস্টের সেই ঐতিহাসিক ওভার বাউন্ডারির রেকর্ড গড়তে পান্ডিয়াকে।

https://twitter.com/Cricvids1/status/896626359170023424

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *