নিজ রাজ্যে ভোট দিতে পারবেন না ধোনি! 1

ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি নাকি নিজ রাজ্য ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে ভোট দিতে কিংবা নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না।কারণ তিনি নিজের রাজ্যের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিক সদস্য মাত্র।যাঁর ওই রাজ্যের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, সংস্থার ওপর বিশেষ কতৃত্ব থাকবে না। এ্ই অধিকার একমাত্র স্থায়ী সদস্যদের রয়েছে।

ধোনি শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের  সামনে ঝাড়খন্ডকে তুলে ধরেছেন তাঁর অসাধারণ ক্রিকেট দক্ষতায়। তিনিই এই রাজ্যের প্রথম ক্রিকেটার যিনি ভারতীয় ক্রিকেট দলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। খোদ ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস মাহিকে ঝাড়খন্ডের রত্ন বলে উল্লেখ করেছিলেন।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে যে ক্রিকেটারদের দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনও বেশ কয়েক’বার ধোনিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে রাজ্যের নাম গোটা দুনিয়ার সামনে তুলে ধরার জন্য। অথচ সেই রত্নকে তারা আজ পর্যন্ত ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্থায়ী সদস্য পদ দেয়নি। শুধুমাত্র একটা সম্মানিক পদ দিয়েই কাজ সেরেছে। আর তাই ধোনি এখন নিজের রাজ্যের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কাছে সাধারণ একজন সদস্য হয়ে দাঁড়িয়েছেন। যাঁর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, ভোট দেওয়ার অধিকার নেই।

এ ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করে এদিন জেএসসিএ-র অন্যতম সদস্য সুরেশ কুমার বলেন, ‘আমি মনে করি, ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান সদস্য হওয়ার সবচেয়ে যোগ্যতম ব্যাক্তির নাম হল মহেন্দ্র সিং ধোনি।মাহি গোটা বিশ্বের সামনে একাই ঝাড়খন্ডকে তুলে ধরেছে।আমরা ঝাড়খন্ডের ক্রিকেটার বলতে শুধু ধোনিকে বুঝি।আর সেই মানুষটিকে এখনও স্থায়ী সদস্য পদ দেওয়া হয়নি। এটা সত্যি গোটা রাজ্যের কাছে একটা লজ্জার বিষয়।’

সবচেয়ে মজাদার বিষয়টি হল, ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্থায়ী সদস্য পদ পেয়ে বসে আছেন বড় বড় রাজনীতিবিদ, আইনজীবি, এবং ব্যবসায়ীরা।সেখানে শুধু জায়গা হয়নি ক্রিকেটারদের।যদিও নিজেদের পিঠ বাঁচাতে গিয়ে এদিন ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘ধোনি এখন জাতীয় দলের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ক্রিকেট খেলে যাচ্ছে। আমরা চাই ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে ধোনি আরও লম্বা সময় ধরে খেলুক।আর ওর মতো একজন মানুষকে আমরা ক্রিকেট সংস্থায় পেলে সত্যি ধন্য হব।’

 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *