ক্রিকেটের নন্দনকাননে সিংহের রূপে ধোনির আর্বিভাব 1
মহেন্দ্র সিঙহ ধোনি

‘দিন তো কুত্তোকা হোতা হে, শেরও কা তো জমানা চলতা হ্যায়…’ সেলুলয়েডের এই বিখ্যাত সংলাপটি বাস্তবে প্রমাণ করে দিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তণ অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। দলের কঠিন সময়ে ব্যাট করতে নেমে, ঠান্ডা মাথায় মাত্র ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করেন ক্যাপ্টেন কুল।
ভারতীয় দলের অধিনায়কত্ব থেকে অব্যাহতি নিলেও, মাহির মাথা থেকে দায়িত্বের বোঝা নামেনি এখনও। কারণ তিনি এখন ঝাড়খন্ড ক্রিকেট দলের অধিনায়ক। ভারতীয় দলের কঠিন সময়ে তিনি যেমন বারবার তাঁর দায়িত্ব পালন করয়েছেন, আজও সেভাবেই, ধুঁকতে থাকা ঝাড়খন্ডকে অক্সিজেন জোগালেন তিনিই। ছত্তিশগড়ের সঙ্গে এই খেলায় ২০ ওভারে মাত্র ৫৭ রানেই ছ’টি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ঝাড়খন্ডের ব্যাটিং লাইনআপ।এমনই এক কঠিভ অবস্থায় মাহি ক্রিজে আসেন। অথচ তাঁর মুখে কোনও রকম চিন্তার ছাপ ছিল না। সহযোগী সাহবাজ নাদিম কে নিয়ে প্রথম দিকে বেশ ধৈর্যের পরিচয় দেয় ধোনি। তাঁরপর ফেরেন স্বমহিমায়।এর ফলেই মাত্র ৯৪ বলে একশত রান পূরণ করেন তিনি। সেঞ্চুরি করার পরই তিনি নিজের উইকেট না হারিয়ে আরও কিছু রান যোগ করেন ঝাড়খন্ডের স্কোরবোর্ডে। নির্দ্ধারিত ওভারের এই ম্যাচের শেষ আউট হওয়ার আগে তিনি দু’টি চার ও দু’টি ছয় মারেন। এই বাউন্ডারির ওপর ভর করে ধোনি পৌছন ১০৭ বলে ১২৯-এ।এর ফলে ঝাড়খন্ডের রান দাঁড়ায় ২৪৩।
এদিকে, ঝাড়খন্ডকে একটা সম্মানজনক রানে আনতে নাদিমের ভূমিকাও অনষীকার্য। নাদিম শুধুমাত্র ধোনিকে স্ট্রাইক না দিয়েই নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ৫৩ রান বানান। ধোনি ও নাদিম মোট ১৫১ রান যোগ করেন ঝড়খন্ডের খাতায়।রবিবার ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেন্সে ধোনির দাদাগিরি ঝাড়খন্ডকে লড়াই ক্রার মত জায়গায় নিয়ে আসে। শনিবার হওয়া কর্ণাটকের বিরুদ্ধে হওয়া ম্যাচেও ভাল প্রদর্শণ করেন মাহি। ৪৩ রান করে দলকে জেতানোর চেষ্টা করেন তিনি। যদিও এই ম্যাচে শেষ রক্ষা হয়নি ধোনির।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *