অধিনায়কত্ব ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে ধোনিকে! 1

বিশেষ প্রতিবেদন: ওয়ান ডে ও টি-২০ দলের অধিনায়কত্বের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। মাহির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তোলপাড় হয়েছে গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে ও টি-২০ সিরিজ শুরু হওয়ার আগে কেন এমন একটা সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি? অনেকেই মনে করছেন, বিরাট কোহলিকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময় করে দিতেই এমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ধোনি।

ধোনির সিদ্ধান্তে কথা বলার সময় শাস্ত্রী, একহাত নিলেন গাঙ্গুলির

আপাত চোখে এমন একটা চিত্র ধরা পড়লেও, এখন অবশ্য ধোনির অধিনায়কত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে অন্য তথ্য উঠে আসছে। শোনা যাচ্ছে, ইংল্যান্ড সিরিজের আগে মাহিকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই সিরিজের দল নির্বাচনের আগে ধোনির সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন নির্বাচক প্রধান এমএসকে প্রসাদ। সেই সময় রঞ্জিতে ঝাড়খন্ড বনাম গুজরাট ম্যাচ খেলতে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। ম্যাচ চলাকালীন ধোনির সঙ্গে আলোচনার সময়ই তাঁকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে বলা হয়। যেদিন এই দু’জনের মধ্যে আলোচনা হয়, সেদিনই নেতৃত্ব থেকে ইস্তাফা দেন ‘ক্যাপ্টেন কুল’। ফলে এই নিয়ে একটা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

২০১৯ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই ধোনিকে অধিনায়কত্ব ছাড়ার আহ্বান জানানো হয়। আসলে নির্বাচকরা বিরাটকে নিজের মতো দল গড়ে নেওয়ার জন্য সময় দিতে চাইছেন। নেতৃত্ব ছাড়ার জন্য ধোনিকে বেশ কিছু কারণও দেখানো। আর সব কিছুকে মাথায় রেখেই সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন ২০১১ সালে ভারতকে বিশ্বকাপ দেওয়া এই অধিনায়ক।

অধিনায়ক হিসেবে তিনিই একমাত্র যিনি আইসিসির তিনটি ট্রফি জিতেছে। তাঁর নেতৃত্বে ২০০৭ সালে টি-২০ বিশ্বকাপ জেতে ভারত। এরপর ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ও ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতার নজির গড়ে ধোনির ইন্ডিয়া। তবে অধিনায়কত্ব চলে যাওয়ার পর ধোনির কাজটা এখন বেশ শক্ত। প্রতিটা ম্যাচেই তাঁকে রান করতে হবে। দলে এই মুহূর্তে তিনি রয়েছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে। আর এই জায়গাতেই প্রতিটা ম্যাচেই নিজের সেরাটা দিতে হবে মাহিকে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *