চেন্নাই ট্রাফিক পুলিশের "ট্রাফিক সচেতনতায়" উঠে এলো চলতি আইপিএলের বিতর্ক ! 1

আইপিএলে কিংস ইলেভেন পান্জাব বনাম রাজস্থান রয়‍্যালস ম‍্যাচে ঘটেছিল এই বিতর্কিত ঘটনা, যার জেরে এখনও বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দুতে ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ম‍্যাচে রয়‍্যালস ব‍্যাটসম‍্যান বাটলার কে “ম‍্যানকাডিং” করার মধ্যে দিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়ে অশ্বিন। অনেকেই তার এই বিষয়টিকে অখেলায়াড়সুলভ আচরণ হিসেবে দেখছেন, ঠিক এমন একটি বিতর্কের মাঝে গোটা বিষয়টি জনস্বার্থে ব‍্যবহার করলো চেন্নাই ট্রাফিক পুলিশ।চেন্নাই ট্রাফিক পুলিশের "ট্রাফিক সচেতনতায়" উঠে এলো চলতি আইপিএলের বিতর্ক ! 2প্রচারে তারা সেই বিতর্কিত দৃশ্যের একটি ছবি দেওয়ার পাশাপাশি নাগরিকদের “জেব্রা ক্রসিং লাইন” না পেরানোর প‍রামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদিও অশ্বিন বিতর্ক কে সচেতনতার কাজে লাগানো এই নতুন কিছু নয়। এর আগেও কলকাতা পুলিশ তাদের পথ নিরাপত্তার স্বার্থে এই ছবি ব‍্যবহার করেছিলেন। প্রসঙ্গত, অশ্বিনের ক্রিকেট জীবনে এমন ঘটনা এই প্রথম নয়, এর আগেও ২০১১ সালে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যে একটি ওয়ানডে ম‍্যাচে শ্রীলঙ্কার লাহিরু থিরেমানে কে একই কায়দায় আউট করেছিলেন অশ্বিন। যদিও সেই ব বিষয়টি কে নিয়ে তেমন বিতর্ক হয়নি। কারন সেই ম‍্যাচে সেহবাগ নিজে মঞ্চে অবতীর্ণ হন। অধিনায়ক হিসেবে এবং থীরমানেকে শুধু মাত্র সাবধান করে ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, অশ্বিনের এমন বিষয়ে কে ভালো ভাবে নেননি ভারতের অধিনায়ক বিরাট, গত বুধবার চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে রয়‍্যাল চ‍্যালেন্জার্স ব‍্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি হয়েছিল কিংস ইলেভেন পান্জাব। জমজমাট এই ম‍্যাচে ফের আরেকবার এক অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকলেন স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকেরা। এবারও যার কেন্দ্রবিন্দু বিরাট কোহলি। ম‍্যাচে বিরাটদের দেওয়া ২০৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা চেজ করতে নেমে শেষ ওভারে পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল ২৭ রান।ঠিক এমন সময়ে ব‍্যাট হাতে ক্রিজে আসেন পাঞ্জাব অধিনায়ক অশ্বিন।শেষ ওভারে উমেশ যাদবের প্রথম বলে লম্বা ছক্কা হাঁকান অশ্বিন।পাশাপাশি পান্জাবের ম‍্যাচ জয়ের একটি ক্ষীন সম্ভাবনা তৈরী করে তিনি।পরের বলটিতেও একই রকম কায়দায় শট নেওয়ার চেষ্টা করেন অশ্বিন।যদিও এইবার বল গিয়ে সোজা তালুবন্দী হয় বিরাটের হাতে।এরপরই ম‍্যাচের যাবতীয় নাটক লক্ষ্য করা যায়।ক‍্যাচ টি তালুবন্দী করার কিছু মুহূর্তের পর অশ্বিন কে ট্রোল করেন বিরাট।ফিরিয়ে আনেন সেই বিতর্কিত” ম‍্যানকাডিং স্মৃতি ” !

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *