বিসিসিআইয়ের কাছে খেলার ছাড়পত্র পাওয়ার পর আবার সিবিআই গেঁরোয় রাজস্থান রয়্যালস, ক্ষীন হতে পারে ফেরার আশা 1
রাজস্থান রয়্যালস

দু’বছর পর আইপিএলে ফিরতে চলেছিল রাজস্থান রয়্যালস। আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত হওয়ার জন্য ২০১৬ ও ২০১৭ সালের আইপিএলে নিষিদ্ধ ছিল এই দল। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৮-তেই আইপিএলে ফেরার ছাড়পত্র ইতিমধ্যেই পেয়েছে রাজস্থান। কিন্তু তার আগেই আরও এক ফাঁপড়ে পড়ল এই ফ্রাঞ্চাইজি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, জার্সি স্পনসরকারী সংস্থার সঙ্গে কী চুক্তি হয়েছিল তার লেনদেনের সমস্ত হিসাব চেয়ে এবার নোটিস পাঠাল সিবিআই।

আইপিএলে ফিরছে চেন্নাই সুপার কিংস, পুনেকে বিদায় ধোনির!

ফ্লোরিনা বলে একটি সংস্থা ২০১১ সালে রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি স্পনসর করার জন্য চুক্তি করে। এবার এই সংস্থার সঙ্গে ঠিক কী চুক্তি হয়েছিল এবং কত টাকার লেনদেন হয়েছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব চাইল এই তদন্তকারী সংস্থা। ২০১৩ সালে আইপিএলে স্পট ফিক্সিং কান্ডে নাম জড়ায় এই স্পনসরকারী সংস্থাটির। এবার সেই হিসাব তলব করায় পরের মরশুমে আইপিএলে ফেরার আগে এক কঠিন সমস্যার মধ্যে পড়ল রাজস্থানের এই ফ্রাঞ্চাইজি।

সূত্রের খবর, রাজস্থান রয়্যালসের মুম্বইয়ের কার্যালয়ে এই সপ্তাহেই নোটিসটি পাঠিয়েছে সিবিআই। ওই কোম্পানির বিষয়েও কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। ২০১১ সালের একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে, সেই সময় থেকেই রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে এই সংস্থার যোগ ছিল। সঞ্জয় জৈন নামে এক ব্যাক্তিকে এই সংস্থার হয়ে প্রচার করতেও দেখা যায়। সেখানে তিনি বলেছিলেন, মূলত চন্দনকাঠ ও মার্বেল পাথরের ব্যবসা করা এই সংস্থার মোট সম্পত্তির পরিমান প্রায় ১.২ বিলিয়ান ডলার। কীভাবে এই সংস্থার এই বিপুল পরিমান সম্পদ এল, সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই ভাবতে শুরু করেছে সিবিআই।

যদিও রাজস্থান রয়্যালসের কর্তারা এই নোটিসের কথা স্বীকার করেননি। তাদের দাবি ওই সংস্থার কাছে বাকি টাকা পাওনার বিষয়ে একটি ফর্ম পাঠানো হয়েছে মাত্র। এটির সঙ্গে সিবিআইয়ের কোনও যোগ নেই। রাজস্থান রয়্যালসের এক কর্তা বলেন, “এটা কোনও নোটিস নয়। এটা কিছু সাধারণ তথ্য জানার জন্য পাঠানো একটি ফর্ম। আমরা ওই সংস্থার বিষয়ে বিশেষ কিছুই জানতাম না যখন আমরা চুক্তিটি করি। এখন আমরা ওই সংস্থার থেকে সম্পূর্ণ বেড়িয়ে এসেছি।”

ওই কর্তা আরও বলেন, “স্পনসরকারী ওই সংস্থার কাছ থেকে আমরা এখনও পুরো পাওনা টাকাও পাইনি।”

যাই হোক না কেন সিবিআই এই চুক্তির মধ্যেও কিছু অসঙ্গতি লক্ষ্য করেই, এবিষয়ে তদন্ত করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গরল মুক্ত হওয়ার জন্য অবশ্য এই আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজির ওই কর্তা বলেন, “সমস্ত রকম বিতর্ক বাদ দিয়ে আমরা পরের বছর আইপিএলে ফিরতে চাই।” কিন্তু সিবিআইয়ের শ্যেন নজর টপকে কীভাবে স্বচ্ছ হবে এই ফ্রাঞ্চাইজি সেটাই দেখার।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *