IPL Match Fixing

পাকিস্তানে বসে থাকা মাফিয়াদের নির্দেশে আইপিএলে (IPL Match Fixing) ম্যাচ ফিক্স করার একটি ক্রিকেট বেটিং র‌্যাকেট ফাঁস করার দাবি করেছে সিবিআই। পাকিস্তান থেকে প্রাপ্ত ইনপুটগুলির উপর ভিত্তি করে, সংস্থাটি ২০১৯ সালের আইপিএল ম্যাচগুলিতে ফিক্সিং এবং বেটিং ধরার অভিযোগে দুটি মামলা নথিভুক্ত করে কিছু অজ্ঞাত সরকারী কর্মকর্তা ছাড়াও সাতজনকে আটক করেছে। শনিবার সংস্থাটির কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন। মামলায় তিন বুকিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। IPL Match Fixing: আইপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৩, সিবিআই-এর দেশব্যাপী অভিযানে বেড়িয়ে এল পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক !! 1

নথিভুক্ত মামলা অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই র‌্যাকেটের মধ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে দিল্লি, যোধপুর, জয়পুর এবং হায়দ্রাবাদে থাকা যুক্ত দোষিদের পাওয়া গেছে। এ চার শহরের ৭টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। বিভিন্ন শহর থেকে সক্রিয় এই গ্যাংটি পাকিস্তানে থাকা ওয়াকাস মালিক নামে এক ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করেছিল। সিবিআই সূত্র জানিয়েছে যে এই র‌্যাকেটটির মাধ্যমে দেশ জুড়ে বেটিং চালানো হচ্ছে, যার অধীনে মানুষজন ম্যাচে বাজি রাখার জন্য প্রতারিত হয়। এর আয়ের কোটি কোটি টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে পাচার হয়েছে।

IPL Match Fixing

এফআইআরে বলা হয়েছে যে ক্রিকেট বেটিংয়ের সঙ্গে জড়িত কিছু ব্যক্তির বিষয়ে পাকিস্তান থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গিয়েছ, আইপিএল ম্যাচের ফলাফলকে প্রভাবিত করাই এদের লক্ষ্য ছিল। এই অভিযোগে, সংস্থা প্রথম এফআইআর-এ দিল্লির বাসিন্দা দিলীপ কুমার এবং হায়দরাবাদের বাসিন্দা গুররাম সতীশ এবং গুররাম বসুর নাম করেছে। তিনজনই ২০১৩ সাল থেকে বেটিংয়ের সঙ্গে জড়িত। তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকার লেনদেনের নথি উদ্ধার করা হয়েছে। দ্বিতীয় এফআইআর-এ সজ্জন সিং, প্রভু লাল মীনা, রাম অবতার এবং অমিত কুমার শর্মা ছাড়াও অজ্ঞাত সরকারি কর্মকর্তাদের নাম রাখা হয়েছে।

Read More: IPL 2022: ম্যাচ জিতে উঠে কাকে সিংহভাগ কৃতিত্ব দিলেন শ্রেয়াস !! নামটা দেখলে অবশ্যই চমকে যাবেন

চারজনই ২০১০ সাল থেকে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তদন্ত চালিয়ে তাদের কাছ থেকে প্রায় এক কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই বেটিংয়ের জন্য বেশ কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। এতে ভুয়ো পরিচয়পত্র, কেওয়াইসি সংক্রান্ত জাল নথি ব্যবহার করা হয়েছে। সংস্থাটির সাথে যুক্ত ব্যাঙ্ক কর্মকর্তাদের বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে। সিবিআই জানতে পেরেছে যে দিলীপ নামের ব্যাক্তি বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করছিলেন যেখানে ২০১৩ সাল থেকে ৪৩ লাখ টাকার বেশি জমা হয়েছিল।

Leave a comment

Your email address will not be published.