লকডাউনের মধ্যেই ভারতীয় দলের উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহার বাড়িতে চুরি, আত্মীয়রা করলেন খোলসা

করোনা ভাইরাসের কারণে এই মুহূর্তে সকলেই নিজের নিজের বাড়িতে আটকা রয়েছেন। কিন্তু এর মধ্যেই একটি চমকে দেওয়ার মতো খবর এসেছে যে ভারতীয় টেস্ট দলের এক নম্বর উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহার বাড়িতে চুরির চেষ্টা হয়েছে। আসলে ঋদ্ধিমান সাহা নিজের পরিবারের সঙ্গে কলকাতার বাড়িতে থাকেন। কিন্তু এদিকে তার আত্মীয়রা অভিযোগ করেছেন যে কিছু দুষ্ট মানুষ ঋদ্ধিমানের শিলিগুড়িতে অবস্থিত পৈত্রিক বাড়িতে শুক্রবার রাতের চুরির চেষ্টা করে।

ঋদ্ধিমান সাহার বাড়িতে হয়েছে চুরির চেষ্টা

লকডাউনের মধ্যেই ভারতীয় দলের উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহার বাড়িতে চুরি, আত্মীয়রা করলেন খোলসা 1

লকডাউনের দিনগুলিতে মানুষ নিজের নিজের বাড়িতে বন্দী। এই অবস্থায় লোকচলাচল কম হওয়ার কারণে আশেপাশের আওওয়াজ সহজেই পরিস্কার শোনা যায়। ঋদ্ধিমান সাহার আত্মীয়রা আইএনএসকে জানিয়েছেন,

“আমরা ওদের বাড়ির পাশেই থাকি। শুক্রবার সকালে আমার ছেলে একটি আওয়াজ শুনতে পায় আর আমাদের জানায়। এটা প্রায় রাত ২টো থেকে আড়াইটের সময় হবে। আমরা দ্রুত বাইরে যাই আর আলো জ্বালাই। ওরা আমাদের আওয়াজ শুনে পালিয়ে যায়। ওদের কাছে গাড়ি ছিল কিন্তু আমরা গাড়িটা পরিস্কারভাবে দেখতে পাইনি”।

এখনো নথিভুক্ত হয়নি এফআইআর

লকডাউনের মধ্যেই ভারতীয় দলের উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহার বাড়িতে চুরি, আত্মীয়রা করলেন খোলসা 2

ভারতীয় টেস্ট দলের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহা কলকাতায় নিজের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকেন। তার মা-বাবা তাদের পৈত্রিক বাড়িতেই থাকেন। কিন্তু ঋদ্ধিমানের বাবা-মা এই মুহূর্তে কলকাতায় আর লকডাউনের কারণে কলকাতায় ফিরতে পারেননি। বাড়িতে হওয়া চুরির চেষ্টা নিয়ে ঋদ্ধির আত্মীয় আগে বলেন,

“আমরা পুলিশকে জানিয়েছি আর তারা দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান। তারা কালকেও এখানে এসেছিলেন। এমনটা কয়েকদিন আগেও হয়েছিল। তখন আমরা বেশি মনোযোগ দিইনি। আমরা রবিবার এফআইআর নথিভুক্ত করব। পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন যে তিনি এনজেপি পুলিশ স্টেশনে আসবেন, তখন আমরা এফআইআর করব”।

৩ মে পর্যন্ত থাকবে লকডাউন

লকডাউনের মধ্যেই ভারতীয় দলের উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহার বাড়িতে চুরি, আত্মীয়রা করলেন খোলসা 3

ব্রিটেন, আমেরিকা, ইতালি, ব্রাজিলের মতো বড়ো বড়ো দেশকে আক্রান্ত করার পর করোনা ভাইরাস ভারতেও দারুণভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোচি পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে লকডাউনকে ১৯ দিন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়র সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর ৩ মে পর্যন্ত লকডাউন থাকার ঘোষণা করেছেন। যদি পরিসংখ্যান দেখা যায় তো ভারতে এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে ২৪ হাজার মানুষ সংক্রামিত হয়েছেন আর ৭৭৫ জন মানুষ নিজেদের প্রাণ হারিয়েছেন। এই মহামারী ভারতে দ্রুত ছড়াচ্ছে আর রোজ প্রায় হাজার হাজার নতুন কেস সামনে আসছে। যদি এই অবস্থায় পরিস্থিতির উন্নতি না হয় তো প্রধানমন্ত্রী লকডাউন আরো বাড়াতে পারেন।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *