কেপিএল ফিক্সিং: বুকির চাঞ্চল্যকর বয়ান, এই বিসিসিআইয়ের আধিকারিকের কথায় করেছিলেন ম্যাচ ফিক্সিং 1

গত কয়েকদিন আগেই ভারতীয় ক্রিকেট জগতে একটা বড়ো আর চাঞ্চল্যকর মামলা সামনে এসেছিল যখন আইপিএলের ধাঁচে খেলা হওয়া কর্ণাটক প্রিমিয়ার লীগে স্পট ফিক্সিংয়ের খোলসা হয়। কেপিএল টি-২০ লীগে এই স্পট ফিক্সিং মামলা নিয়ে বেশকিছু খেলোয়াড়কে গ্রেপ্তার করা হয়।

কেপিএল ফিক্সিং মামলায় বড়ো খোলসা

কেপিএল ফিক্সিং: বুকির চাঞ্চল্যকর বয়ান, এই বিসিসিআইয়ের আধিকারিকের কথায় করেছিলেন ম্যাচ ফিক্সিং 2

কর্ণাটক প্রিমিয়ার লীগের স্পট ফিক্সিং কান্ডের পর আরো কিছু খোলসা হয়েছে কিন্তু শুক্রবার এই লীগের সঙ্গে যুক্ত যে খোলসা হয়েছে তা শুনে শুধু আপনারাই নন পুরো ভারতীয় ক্রিকেট অবাক হয়ে যাবে। কেপিএলে খেলোয়াড়দের স্পট ফিক্সিংয়ের ফাঁসে ফাঁসার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বুকি আর বিজনেসম্যান সংযম গুলাটি একটা এমন খোলসা করে দিয়েছেন যা শুনে আপনিও চমকে যাবেন।

বিসিসিআইয়ের আধিকারিকের বলাতেই করেছেন কাজ

কেপিএল ফিক্সিং: বুকির চাঞ্চল্যকর বয়ান, এই বিসিসিআইয়ের আধিকারিকের কথায় করেছিলেন ম্যাচ ফিক্সিং 3

সংযম গুলাটি চাঞ্চল্যকর খোলসা করে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বয়ান দিয়েছেন যে তিনি এমনটা বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত এক বড়ো আধিকারিকের বলাতেই করেছেন। যে আধিকারিক বিসিসিআইয়ের অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সঙ্গেই যুক্ত। হরিয়ানার বাসিন্দা সংযম গুলাটি লিখিতভাবে বয়ান দিয়েছেন যেখানে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু খোলসা করেছেন। সংযম গুলাটির উওর অভিযোগ উঠেছিল,

“তিনি কেপিএল খেলোয়াড় ভাবেশ গুলেচাকে স্পট ফিক্সিং করার জন্য প্রভাবিত করেছিলেন। কিন্তু এখন গুলাটি নিজের বয়ানে বলেছেন যে তিনি গুলেচাকে ৭৫ হাজার টাকা দিয়েছেন যাতে যাতে তিনি এসিইউর জন্য প্রমান একজুট করতে পারেন”।

সংযম গুলাটির দাবী বিসিসিআইয়ের আধিকারিক এটা করতে বলেছলেন

কেপিএল ফিক্সিং: বুকির চাঞ্চল্যকর বয়ান, এই বিসিসিআইয়ের আধিকারিকের কথায় করেছিলেন ম্যাচ ফিক্সিং 4

সংযম গুলাটি নিজের বয়ানে লিখেছেন যে, “বিসিসিআইয়ের এসিউর ম্যানেজার আমাকে মুম্বাইতে নিজের অফিসে ডেকে ক্রিকেট ম্যাচে স্পট ফিক্সিংয়ের ব্যাপারে বলতে বলেন। তার কথাতেই আমি ভাবেশ গুলেচার সঙ্গে কথা ব্লেছি আর সমস্ত তথ্য ওকে দিই”।
গুলাটি আগে লেখেন যে, “২০১৮য় আমি টিএনপিএল ম্যাচ দেখতে চেন্নাই গিয়েছিলাম যেখানে আমি জানতে পারি যে লীগে অনলাইন গ্যাম্বলিং হচ্ছে। আমি তামিলনাড়ু পুলিশের এডিজিপিকে ইমেল করে অ্যাকশন নিতে বলেছিলাম। সেই সময় তার সাক্ষাত এসিইউর ম্যানেজারের সঙ্গে হয়, তখন তাকে বুকি আর গ্যাম্বলিংয়ের ব্যাপারে জানানো হয়। এসসিইউর ম্যানেজার কথা দেন যে যদি এমন কিছু হয় তো তিনি খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেবেন। আমাকে ভরসা দেওয়া হয়েছল যে কেপিএলের ম্যাচে ফিক্সিং হচ্ছে আর আমি এসিইউর ম্যানেজারকে এর তথ্য দিয়েছিলাম। তিনি আমাকে বলেছিলেন যে আমি ভবেশ গুলেচার সঙ্গে কথাবার্তা চালু রাখি আর যদি ও অভিযুক্ত প্রমানিত হয় তো ওকে শাস্তি দেওয়া হবে। আমি টিএনপিএল চলাকালীন গুলেচাকে ৭৫ হাজার টাকা যিই যাতে আমি প্রমান জড়ো করতে পারি”।

ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ গুলাটির বয়ানকে বলল মিথ্যে

কেপিএল ফিক্সিং: বুকির চাঞ্চল্যকর বয়ান, এই বিসিসিআইয়ের আধিকারিকের কথায় করেছিলেন ম্যাচ ফিক্সিং 5

গুলাটি আগে লেখেন যে, “ভাবেশ গুলেচাকে টাকা দেওয়ার খালি একটাই কারণ ছিল যে ওরা ওর বিরুদ্ধে প্রমান চেয়েছিলেন। যদি আমার টাকা কামানোর হতো তো আমি এর তথ্য কেনো দিতাম”
যদিও গুলাটি দ্বারা দেওয়া এই বয়ানকে ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ মিথ্যে বলে জানিয়েছে। ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ বলেছে যে, “গুলাটি খেলোয়াড়দের এটা বলে দেখা করত যে তিনি বিসিসিআইয়ের অ্যাণ্টি করাপশন ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত। মানুষ ওকে ভরসা করত। ও আন্তর্জাতিক বুকি আর ওয়েস্টইন্ডিজে লুকিয়ে থাকে। ওকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে”।

Leave a comment

Your email address will not be published.