রেকর্ড রান তাড়া করে সেমিফাইনালে বাংলা! 1

টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ ওভারে নাটকীয় জয় পেল বাংলা। মহারাষ্ট্রকে হারিয়ে পৌঁচ্ছে গেল বিজয় হাজারে ট্রফির সেমিফাইনালে। শেষ বল বাকি থাকতেই মহেন্দ্র সিংহ ধোনির কায়দায়, বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বাংলাকে রুদ্ধস্বাস জয় এনে দেয় আমির গণি।

স্পিনকে মোকাবিলা করার জন্য সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরামর্শ নিক ওয়ার্নার, মত ক্লার্কের


প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মহারাষ্ট্র বাংলার ঘাড়ে ৩১৯ রানের বিরাট বোঝা চাপিয়ে দেয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমেই অভিমন্যু এশ্বরনের উইকেট হারায় বাংলা। মাত্র ৬ রান করেই প্যাভেলিয়নে ফেরে এশ্বরন। বাংলার প্রাথমিক এই ধাক্কা সামলানোর দায়িত্ব নেন শ্রীবৎস গোস্বামী (৭৪) ও অগ্নিভ পান (৪৭)। দ্বিতীয় উইকেটে ৮১ রানের পার্টনারসিপ করে তাঁরা বাংলাকে জয়ের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। হঠাৎই সামসুজ্জামা কাজির বলে পান বোল্ড হয়ে যায়। বাংলা আবার চাপে পড়ে যায়। কিন্তু আজ হয়ত জিতবে বলেই পণ করেছিল বাংলার বাঘেরা। তাই গোস্বামী অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারির সঙ্গে আরও ৬২ রান যোগ করে বাংলার স্কোর বোর্ডে। মনোজ তিওয়ারি ৪০ রা করে আউট হন। পরে সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (৬০ নঃআঃ) ও অনুষ্টুপ মজুমদারের (৬৬) গড়া আরও একটি পার্টনার সিপে বাংলা নিশ্চিত জয়ের দিকে এগিয়ে যায়।

বিজয় হাজারের পাশাপাশি কেকেআরে ভাল প্রদর্শন করাই মূল লক্ষ্য ইউসুফ পাঠানের


তবে চিত্রণাট্যে রোমাঞ্চ হয়ত তখনও বাকি ছিল। শেষ ওভারে বাংলার জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। প্রথম দু’বলে দুরান করার পর আরও একটি উইকেট পড়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। ডু অর ডাই ম্যাচে শেষ তিন বলের মধ্যে দু’বলেই ছ’রান করে জয় ছিনিয়ে আনেন আমির গণি। শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয় আনেন আমির। একেবারে ধোনির কায়দায়। ফলে এক বল বাকি থাকতেই বাংলা জিতে যায়।
এদিকে, টসে জিতে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় মহারাষ্ট্র। রাহুল ত্রিপাঠির দুরন্ত ৯৫ রানের ফলে ৬ উইকেট হারিয়ে মোট ৩১৯ রান তোলে মহারাষ্ট্র। এছাড়া রুতুরাজ গাইকোয়াড ৪৩ রান ও কেদার যাদব ৪৪ রান করে মহারাষ্ট্রকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করায়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *