ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকারদের ‘পেমেন্ট’ মিটিয়ে দিল বিসিসিআই, অর্থের অঙ্কে মাথা ঘুরে যেতে বাধ্য.. 1

 

মুম্বই: ভারতীয় ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকারদের টাকা মিটিয়ে দিল বিসিসিআই। চলতি বছরের মে মাসের যাবতীয় পেমেন্ট করল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এ দিন বোর্ডের তরফ থেকে পেমেন্টের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে ২৫ লক্ষ টাকার ওপর যে সব পেমেন্ট করা হয়েছে তার হিসাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৬-১৭ মরশুমে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি, শুল্ক মূল্য ছাড়া যে অর্থ খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেওয়া হয়, ম্যাচ আয়োজন করার জন্য দেশের বিভিন্ন ভেন্যুকে দেওয়া অর্থ, টিভির ফিড প্রোডাকশনের লোকজনদের পেমেন্ট, ক্রিকেট দলের ঘোরা, থাকা, খাওয়া খরচ মেটানো। এরই সঙ্গে আরও বেশ কিছু পেমেন্ট করা হয়েছে বলে বোর্ডের তরফ থেকে হিসাব দেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকারদের ‘পেমেন্ট’ মিটিয়ে দিল বিসিসিআই, অর্থের অঙ্কে মাথা ঘুরে যেতে বাধ্য.. 2

ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকারদের ‘পেমেন্ট’ মিটিয়ে দিল বিসিসিআই, অর্থের অঙ্কে মাথা ঘুরে যেতে বাধ্য.. 3

ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তি অনুযায়ী ‘এ’ গ্রেডের ক্রিকেটাররা ২ কোটি টাকা করে পান। ‘বি’ গ্রেডের ক্রিকেটাররা পান ১ কোটি টাকা। ৫০ লক্ষ টাকা করে পান ‘সি’ গ্রেডের ক্রিকেটাররা। এছাড়া প্রতিটা টেস্টের জন্য ১৫ লক্ষ, ওয়ান ডে’র জন্য ৬ লক্ষ ও টি-২০ ম্যাচের জন্য ৩ লক্ষ টাকা করে পান বিরাট’রা। গোটা মরশুমের জন্য ম্যাচ খেলে সব থেকে বেশি উপাজন করেন বিরাট কোহলি ও উমেশ যাদব। দু’জনেই ১.৮২ কোটি টাকা করে পান। তিন ফর্ম্যাটে অধিনায়ক থাকার জন্য এত টাকা পকেটে পুরে নিয়েছেন বিরাট। অন্যদিকে, ‘বি’ গ্রেডের খেলোয়াড় হলেও বিরাটের সমান উপার্জন করেছেন উমেশ যাদব। মরশুমের ১৩টি ম্যাচের মধ্যে ১২টি ম্যাচ খেলার দরুণ এই টাকাটি পেলেন তিনি। ‘এ’ গ্রেডের আরেক ক্রিকেটার অজিঙ্ক রাহানে পান ১.৬৯ কোটি।

ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকারদের ‘পেমেন্ট’ মিটিয়ে দিল বিসিসিআই, অর্থের অঙ্কে মাথা ঘুরে যেতে বাধ্য.. 4

ট্যাক্স ফ্রি অর্থ আয়ের ক্ষেত্রেও বিরাট কোহলি সবার ওপরে। টেস্টে এক নম্বর দল হওয়ার দরুণ বিসিসিআই যে আর্থিক পুরস্কার দেয়, তার ট্যাক্স ফ্রি অর্থ হিসেবে ২.৬১ কোটি টাকা পেয়েছেন ভারত অধিনায়ক। এই আঙিনায় বিরাটের পিছনেই রয়েছেন অজিঙ্ক রাহানে (২.৫৩ কোটি) ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২.৫১ কোটি)। ধারাবাষ্যকার হিসেবে সবথেকে বেশি উপার্জন করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক (৬১ লক্ষ টাকা)। এরপরেই রয়েছেন সুনীল গাভাসকর ও রবি শাস্ত্রী। দু’জনেই পেয়েছেন ৪৪ লক্ষ টাকা। এই দু’জনের পরে ৩৩ লক্ষ টাকা পকেটস্থ করেছেন দেশের আরেক অভিজ্ঞ ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মঞ্জরেকর। আরও কিছু ধারাভাষ্যকারকেও টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে তার কোনটাই ২৫ লক্ষের বেশি নয়।

ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকারদের ‘পেমেন্ট’ মিটিয়ে দিল বিসিসিআই, অর্থের অঙ্কে মাথা ঘুরে যেতে বাধ্য.. 5

 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *