অ্যান্দ্রে রাসেলের খোলসা, কোহলির এই আচরণের কারণে আরসিবির বিরুদ্ধে খেলেছিলেন ১৩ বলে ৪৮ রানের ইনিংস

৫ এপ্রিল ২০১৯ এ আরসিবি আর কেকেআরের মধ্যে একটি ম্যাচ খেলা হয়েছিল, যেখানে আরসিবির দল প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৫ রানের এক বিশাল স্কোর খাড়া করেছিল। এই লক্ষ্যকে কেকেআরের দল অ্যান্দ্রে রাসেলের ঝোড়ো ইনিংসের সৌজন্যে ৫ বল এবং ৫ উইকেট বাকি থাকতে জিতে নেয়।

অ্যান্দ্রে রাসেল মাত্র ১৩ বলে খেলেছিলেন ৪৮ রানের ইনিংস

অ্যান্দ্রে রাসেলের খোলসা, কোহলির এই আচরণের কারণে আরসিবির বিরুদ্ধে খেলেছিলেন ১৩ বলে ৪৮ রানের ইনিংস 1

এই ম্যাচে কেকেআরের তারকা অলরাউন্ডার অ্যান্দ্রে রাসেল মাত্র ১৩ বলে ৪৮ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস খেলেছিলেন। তিনি নিজের এই ঝোড়ো ইনিংসে ৮টি গগণচুম্বি ছক্কা আর একটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন। যখন তিনি ক্রিজে আসেন তখন কেকেআরের ২৬ বলে ৬৭ রানের প্রয়োজন ছিল আর কেকেআরের জয় প্রায় অসম্ভব মনে হচ্ছিল। তবে তিনি এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছিলেন।

বিরাট কোহলির উৎসব করা রাসেলের ভালো লাগেনি

অ্যান্দ্রে রাসেলের খোলসা, কোহলির এই আচরণের কারণে আরসিবির বিরুদ্ধে খেলেছিলেন ১৩ বলে ৪৮ রানের ইনিংস 2

অ্যান্দ্রে রাসেল ওই ম্যাচের ইনিংসকে স্মরণ করে বলেছেন, “আমার মনে আছে যখন আমি অধিনায়ক দীনেশ কার্তিকের সঙ্গে ব্যাটিং করতে নামি তো আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আমি জানতাম হয় আমি আউট হয়ে যাব বা রান করব, কারণ আমাদের ২৪ বা ২৭ বলে ৬০ রানের কাছাকাছি করত হত। কার্তিক সেই সময় আমার দিকে দেখে আর বলে যে তুমি কী ভাবছো, আমি বলি যে আমি স্রেফ বাউন্ডারি মারার ব্যাপারে ভাবছি। এরপর কার্তিক কিছু ভালো শট খেলেন, কিন্তু দ্রুতই চহেল ক্যাচ করে তাকে আউট করে দেয়। আর বিরাট কোহলি সেই স্ট্যান্ডের দিকে এগিয়ে যান যেখানে সকলের স্ত্রী আর কেকেআরের সমর্থকরা বসে ছিলেন। আর তিনি চেঁচিয়ে ওঠেন যে আউট, কাম অন”।

ছক্কা মারার পর স্কোরবোর্ডও দেখছিলাম না

অ্যান্দ্রে রাসেলের খোলসা, কোহলির এই আচরণের কারণে আরসিবির বিরুদ্ধে খেলেছিলেন ১৩ বলে ৪৮ রানের ইনিংস 3

অ্যান্দ্রে রাসেল আগে বলেন যে, “যখন শুভমান গিল ৭ নম্বরে আসে, তো আমি বলি শোনো তুমি স্রেফ আমাকে স্ট্রাইক দাও। আমি ম্যাচ জেতাব। প্রত্যেকবার যখন আমি ছক্কা মারি তো আমি স্কোরবোর্ডও দেখছিলাম না, কারণ কখনো কখনো আপনি দর্শক আর অন্য জিনিসকে দেখে বিচলিত হতে পারেন আর নিজের ফোকাস হারাতে পারেন। বলকে হিট করার পর আমি শুভমানের কাছে যাচ্ছিলাম আর আমরা একে অপরের গ্লাভস পাঞ্চ করছিলাম। আর তারপর আমি নিজের ক্রিজে ফেরত যাচ্ছিলাম। যতটা সম্ভব হয় ততটা গভীর শ্বাস নিচ্ছিলাম আর এটা আমাকে শান্ত থেকে নিজের দলকে ম্যাচ জেতানোর অনুমতি দেয়”।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *