শ্লেজিংয়ে কান না দিয়ে কোহলিকে নৈতিকতার পাঠ শেখালেন বিশ বছরের রেনশ 1
ম্যাট রেনশ

বয়স মাত্র ২০। তাও জীবনের প্রথম উত্তেজনাময় বিদেশ সফরে এসে নিখুঁত পরিপক্কতার পরিচয় দিলেন। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য একের পর এক কটুক্তি ভেসে আসছিল বিপক্ষ দলের অধিনায়কের গলা থেকে। তাও উত্তেজিত না হয়ে, শুধু মুখের হাসি দিয়েই কফিন সাজিয়ে গেলেন বিরোধীদের।

এটা ক্রিকেটের নিছক গল্প নয়। বেঙ্গালুরুর মাঠে একেই বাস্তব করে গেলেন সর্বকনিষ্ঠ অজি ক্রিকেটার ম্যাট রেনশ। মাত্র ১৮৯ রানে শেষ হয়ে যাওয়ার পর মাঠে নেমে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি হয়তো অন্য উপায়ে সায়েস্তা করতে চেয়েছিলেন আজিদের। তাই মাঠে নামার পর থেকেই স্লিপে দাঁড়িয়ে একের পর এক কটুক্তি ছুঁড়ে দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। পূর্বসূরীদের পথে না হেঁটে রেনশ যা করলেন তা দেখেই আরও খাপ্পা কোহলি। উত্তেজিত না হয়ে শুধুমাত্র মুখের হাসি দিয়েই পিছন দিক থেকে আসা কোহলির গুলি ও সামনের দিকে উমেশের ১৪২ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টার বল সামালালেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ১৯৬ বলে ৬০ রান করে কোহলিদের জন্য কফিনটাও সাজিয়ে গেলেন ঠান্ডা মাথায়।

সিরিজে সমতা ফিরিয়ে ইয়ান হিলিকে একহাত বিরাটের

পুনের টেস্টে টয়লেট যাওয়ার জন্য রেনশ একটি ছোট্ট বিরতি নিয়েছিল। বিরাট সেই নিয়েই তাঁকে কটুক্তি করা শুরু করে। রেনশ বলেন, “আমি সেই সময় কোহলির দিকে তাকিয়ে হেসেছিলাম। আমার খুবই মজাদার লেগেছিল ওর শ্লেজিং করার পদ্ধতি দেখে।” তিনি আরও বলেন, “ও আমায় বারবার বলছিল আমি পুনের মত টয়লেটের জন্য এখানেও বিরতি নেব কী না। এটাই খুব মজাদার লেগেছিল আমার।”

স্টিভ স্মিথ ও কোহলির মধ্যে কী নিয়ে বচসা বাঁধে জিজ্ঞাসা করা হলে বেশ কূটনৈতিকতার সঙ্গেই তিনি জবাব দেন, “ও তেমন কিছুনা। এই টানটান ম্যাচে দুজন দুজনকে খেলা থেকে বিভ্রান্ত করার জন্য ছোটখাট শ্লেজিং।”

ভারতে তিনি প্রথমবার খেলতে এসেছেন। কিন্তু খেলার প্রস্তুতি করে এসেছেন বেশ ভালই। পাশাপাশি কীভাবে কঠিন পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রেখে এগিয়ে যেতে হয়, তার জ্ঞানও রয়েছে পুরো দস্তুর। তাই পূর্বসূরী রিকি পন্টিং বা আন্ড্রু সাইমন্ডসের মত মাথা গরম করে বচসায় না জড়িয়ে, শ্লেজিংয়ের জবাব দিলেন ব্যাটে। যেতে যেতে শিখিয়ে গেলেন বিশ্বখ্যাত ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিকে ক্রিকেটিয় নৈতিকতার পাঠ।

স্মিথের মতে, এখনও সিরিজ পুরোপুরি ওপেন রয়েছে

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *