কেন সেন্ট্রাল তালিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনিকে গ্রেড এ থেকে গ্রেড বি’তে নামিয়ে দেওয়া হতে পারে?

কেন সেন্ট্রাল তালিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনিকে গ্রেড এ থেকে গ্রেড বি’তে নামিয়ে দেওয়া হতে পারে? 1

প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি সম্ভবত বিসিসিআইয়ের সেন্ট্রাল কন্ট্রাক্ট লিস্টে এ তালিকা থেকে বি তালিকায় নেমে যেতে পারেন। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখা দরকার যে সিওএর প্রাক্তন মেম্বার রামচন্দ্র গুহ গ্রেড ‘এ’ তে তার নাম থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি (ধোনি) ইতিমধ্যেই টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন কিন্তু এখনও তিনি গত বছরের কন্ট্রাক্ট লিস্ট অনুযায়ী গ্রেড এ তে রয়েছেন। অন্যদিকে মুরলী বিজয় এবং চেতেশ্বর পুজারার মত প্লেয়াররা কেবল একটি মাত্র ফর্ম্যাটেই খেলেন, এবং তারাও ‘এ’ তালিকায় রয়েছেন। কিন্তু যেহেতু তারা কেউই অবসর ঘোষনা করেন নি ফলে তারা যে কোনো সময়েই সীমিত ওভারের ফর্ম্যাটে দলে ফিরে আসতে পারেন। অন্যদিকে অবসর নিয়ে ফেলায় ধোনি টেস্ট দলে ফেরত আসতে পারবেন না, যার ফলে ধোনিকে বি গ্রেডে নেমে যেতে দেখা যেতে পারে। রামচন্দ্র গুহ আরও প্রশ্ন করেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়ের ভারত এ এবং অনুর্ধ্ব ১৯ দলের কোচে হওয়ার ভূমিকা নিয়েও।

কেন সেন্ট্রাল তালিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনিকে গ্রেড এ থেকে গ্রেড বি’তে নামিয়ে দেওয়া হতে পারে? 2

কারণ তিনি গত বছর আইপিএল দল দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যার ফলে দ্রাবিড়কে দেখা যায় আইপিএলে তার চাকরি ছেড়ে দিতে এবং আইপিএল ফ্রেঞ্চাইজি ছেড়ে ভারতীয় দলকে বেছে নিতে। ইনফ্যাক্ট বিসিসিআই একটি ন্যম করে দেয় এবং বাকি সমস্ত কোচেরা তাদের আইপিএলের চাকরি ছাড়তে বাধ্য হবেন যদি তারা বিসিসিআইয়ের দলের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান। ভরত অরুন (আরবিসি), আর শ্রীধর (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব), প্যাট্রিক ফারহাট (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব) এবং পরস মামরের (মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স) এর মত কোচেরা তাদের আইপিএলে চাকরি ছেড়ে দেন বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকতে।

কেন সেন্ট্রাল তালিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনিকে গ্রেড এ থেকে গ্রেড বি’তে নামিয়ে দেওয়া হতে পারে? 3

সেই সময় রামচন্দ্রের তোলা প্রশ্ন যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছিল এবং এবং আবারও তার তোলা প্রশ্ন প্রভাব ফেলেছে যেখানে বিসিসিআই তাদের নতুন কন্ট্রাক্ট প্লেয়ারদের হাতে তুলে দিতে চলেছে। যদি ধোনি তালিকা থেকে নেমে যান তাহলে তিনি একমাত্র প্লেয়ার নন যিনি এই তালিকা থেকে নেমে যাবেন। আর অশ্বিন এবং রবীন্দ্র জাদেজাও সম্ভবত গ্রেড এ থেকে গ্রেড বি এ নেমে যেতে পারেন। এই দুজনেই সীমিত ওভারের খেলায় কুলদীপ যাদব এবং যযুবেন্দ্র চহেলের কাছেন নিজেদের জায়গা হারিয়েছেন। এবং বাস্তবে কুলদীপ এবং চহেলকেও শীঘ্রই টেস্ট দলের লাইনে দেখা যেতে পারে। শিখর ধবন এবং হার্দিক পান্ডিয়ার মত প্লেয়ারদের এই চুক্তিতে প্রমোশন পাওয়ার সম্ভবনাও রয়েছে। দুজনকেই সম্ভবত গ্রেড সি থেকে গ্রেড বি তে উঠে আসতে দেখা যেতে পারে। এই দুজন প্লেয়ারই ভারতের ৩ ফর্ম্যাটের দলের নিয়মিত সদস্য। বাস্তবে ধবনকে ২০১৮র নিদাহাস ট্রফিতে সহ অধিনায়ক হিসেবেও নিয়োগ করা হয়েছে।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *